দৈনিক টার্গেট

দেশের চেতনায়

ট্রাম্পকে সংযত ভাষা ব্যবহারের বার্তা দিল পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন একটি প্রভাবশালী সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গেছে, পাকিস্তানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। সেই বার্তায় বর্তমান সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে কঠোর বা উসকানিমূলক বক্তব্য না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক একটি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানের ওই কর্মকর্তা বলেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হয়েছে এবং খুব শিগগিরই ইরানের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নিতে পারেন।

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই নতুন করে সংলাপ শুরু করতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ। এ লক্ষ্যে পাকিস্তান তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এ সময়ে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আবারও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।

আরেকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর বার্তা এ মুহূর্তে আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকেই পাকিস্তান সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ শুধু তাৎক্ষণিক উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রেই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের টানাপোড়েনে পাকিস্তানের এই সক্রিয় ভূমিকা এখন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।