যে জেলের জেলার ছিলেন, সেখানেই বন্দী হলেন দিব্যা চৌধুরী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দুই মাসের বেশি সময় পলাতক থাকার পর গত বুধবার দিব্যাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে রাজস্থানের কোটা শহরের একটি আবাসিক ভবন থেকে দিব্যাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজমের পুলিশের সাইবার সেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এর আগে গত ৫ আগস্ট এক কারারক্ষীর অভিযোগের ভিত্তিতে দিব্যার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করার জন্য রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

মামলার আরও এক অভিযুক্ত কারারক্ষী সোনিয়া চৌধুরী এখনো পলাতক। অভিযোগ রয়েছে, দুই নারী বন্দীকে কারাগার থেকে বের করে দিব্যার বাসায় নিয়ে যাওয়ার কাজে তিনি সহায়তা করেছিলেন। ঘটনার পর দুজনকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং বিকানের সেন্ট্রাল জেলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁরা সেখানে যোগ না দিয়ে পলাতক ছিলেন।

আজমেরের পুলিশ সুপার হর্ষবর্ধন আগরওয়ালা জানান, গত ১২ জুলাই এই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দিন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই নারী বন্দী কিরণ ও সান্নাকে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন অনুসরণ না করেই কারাগার থেকে বের করে নিয়ে যান দিব্যা।

পুলিশের দাবি, কারারক্ষীদের আপত্তি উপেক্ষা করে দিব্যা নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে ওই দুই নারীকে তাঁর বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের দিয়ে ঘর পরিষ্কারসহ বিভিন্ন গৃহস্থালির কাজ করানো হয়। বন্দীদের বাইরে নেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় দায়িত্বে থাকা কারারক্ষীরা আপত্তি জানিয়েছিলেন। এ সময় আপত্তিকারী কারারক্ষীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে দিব্যার বিরুদ্ধে।

পরে দিব্যার বাসা থেকে ওই দুই নারী বন্দীকে পুনরায় আটক করে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি ভারতের কারাগারের নিরাপত্তা, বন্দীদের ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালতটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৮১-১৬৭ ভোটে গৃহীত এক প্রস্তাবে সংগঠনটির প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়….

জনপ্রিয় টার্গেট

যে জেলের জেলার ছিলেন, সেখানেই বন্দী হলেন দিব্যা চৌধুরী

প্রকাশ: ০১:০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দুই মাসের বেশি সময় পলাতক থাকার পর গত বুধবার দিব্যাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে রাজস্থানের কোটা শহরের একটি আবাসিক ভবন থেকে দিব্যাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজমের পুলিশের সাইবার সেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এর আগে গত ৫ আগস্ট এক কারারক্ষীর অভিযোগের ভিত্তিতে দিব্যার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করার জন্য রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

মামলার আরও এক অভিযুক্ত কারারক্ষী সোনিয়া চৌধুরী এখনো পলাতক। অভিযোগ রয়েছে, দুই নারী বন্দীকে কারাগার থেকে বের করে দিব্যার বাসায় নিয়ে যাওয়ার কাজে তিনি সহায়তা করেছিলেন। ঘটনার পর দুজনকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং বিকানের সেন্ট্রাল জেলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁরা সেখানে যোগ না দিয়ে পলাতক ছিলেন।

আজমেরের পুলিশ সুপার হর্ষবর্ধন আগরওয়ালা জানান, গত ১২ জুলাই এই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দিন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই নারী বন্দী কিরণ ও সান্নাকে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন অনুসরণ না করেই কারাগার থেকে বের করে নিয়ে যান দিব্যা।

পুলিশের দাবি, কারারক্ষীদের আপত্তি উপেক্ষা করে দিব্যা নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে ওই দুই নারীকে তাঁর বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের দিয়ে ঘর পরিষ্কারসহ বিভিন্ন গৃহস্থালির কাজ করানো হয়। বন্দীদের বাইরে নেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় দায়িত্বে থাকা কারারক্ষীরা আপত্তি জানিয়েছিলেন। এ সময় আপত্তিকারী কারারক্ষীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে দিব্যার বিরুদ্ধে।

পরে দিব্যার বাসা থেকে ওই দুই নারী বন্দীকে পুনরায় আটক করে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি ভারতের কারাগারের নিরাপত্তা, বন্দীদের ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালতটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৮১-১৬৭ ভোটে গৃহীত এক প্রস্তাবে সংগঠনটির প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়….