মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়ী গ্রামের তারা মিয়ার ভবনে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মনির শেখ পাশের নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের ফলনী গ্রামের মো. আব্দুল জলিল শেখের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রাজমিস্ত্রি মো. শাহ আলম জানান, মনির শেখ ও তাঁর সহযোগী কুদ্দুস রাজাবাড়ী গ্রামের তারা মিয়ার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার সকালে ট্যাংকের ঢাকনা খুলে ভেতরের ঢালাইয়ের সেন্টারিং খুলতে প্রথমে মনির ট্যাংকের ভেতরে নামেন। পরে কুদ্দুসও সেখানে নামেন। এ সময় শাহ আলমসহ অন্য শ্রমিকেরা পাশের একটি ভবনে কাজ করছিলেন।
তিনি বলেন, হঠাৎ চিৎকার শুনে তাঁরা ছুটে গিয়ে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে দুজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কয়েকজন মিলে ট্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মনির শেখকে মৃত ঘোষণা করেন। কুদ্দুসকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে নেমে মনির শেখ অচেতন হয়ে মারা গেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তাঁর সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তিও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মনির শেখের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ওসি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে জাকির হোসেনকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মামলার অপর আসামি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চক আলমপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গরুবোঝাই নছিমনের ধাক্কায় অটোভ্যানের আট যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে গাইবান্ধা পৌর শহরের আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘বাঁধন’ পরিবহনের একটি বাস সড়কের পাশে উল্টে অন্তত ১২ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে সোনাপুর-সুবর্ণচর সড়কের হারিছ চৌধুরী বাজারের উত্তর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দৈনিক টার্গেট 






















