টস জিতে আগে ব্যাটিং নিলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শুরুতেই বেশ চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। ৮.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ২৭ রানে পরিণত হয় উইন্ডিজ। দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং, জশুয়া ডা সিলভাকে ফিরিয়েছেন তাসকিন। যাঁদের মধ্যে ৯ রান করা কিংকে বোল্ড করে স্টাম্প খণ্ড-বিখণ্ড করে দেন তাসকিন। আরেক ওপেনার ডা সিলভা ১২ রান করে বাংলাদেশের গতিতারকার এলবিডব্লুর শিকার হয়েছেন। আর তিন নম্বরে নামা ওপেনার কাভেম হজকে (১) বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ।
টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারানোর পর হাল ধরেন জাঙ্গু-কেভিন উইকহাম। যেখানে উইকহামের এই সিলেট টেস্ট দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে। চতুর্থ উইকেটে তাঁরা (উইকহাম-জাঙ্গু) ২৫১ বলে ১৩১ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি গড়ার পথে তাঁরা চাইলে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ধন্যবাদ দিতে পারেন। জাঙ্গু দুইবারই জীবন পেয়েছেন। দুইবারই বোলার ছিলেন হাসান মাহমুদ। যার মধ্যে ১৭তম ওভারের প্রথম বলে লিটন দাস ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি। জাঙ্গুর রান তখন ২২। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬০ রানে হারাতে পারত চতুর্থ উইকেট।
দ্বিতীয়বার যখন জাঙ্গু জীবন পান, তখন তাঁর রান ৬৮। ৪৭তম ওভারের চতুর্থ বলে হাসান মাহমুদকে পুল করতে যান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি ব্যাটার। কট এন্ড বোল্ডের সুযোগ হাতছাড়া করেন বাংলাদেশি পেসার। দুইবার জীবন পাওয়া জাঙ্গু দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। তবে উইকহাম ফিফটির পর বেশি রান যোগ করতে পারেননি। ৫১তম ওভারের প্রথম বলে উইকহামকে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ। অভিষেক ইনিংসে ১৪৫ বলে ৫ চারে ৬১ রান করেন ক্যারিবীয় এই ব্যাটার।

দৈনিক টার্গেট 

























