সালমান এফ রহমান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। এই মামলায় তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আজ রোববার সাক্ষী এস এম সায়েমকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। জেরা শেষে দুপুরের বিরতির পর ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের শুরুতেই প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সাক্ষী সায়েমের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করা হয়।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, জুলাই আন্দোলনে মিরপুর অঞ্চলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সায়েম। তিনি মিরপুরে থাকেন। সাক্ষী দেওয়ার পর বাসার সামনে এক ব্যক্তি তাঁকে গালিগালাজ করেছে। বাসার সামনে অচেনা ব্যক্তিরা মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তাঁকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ ছাড়া লোকজন তাঁর সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিচ্ছে।
পরে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
শুনানির সময় কথা বলার অনুমতি চান এই মামলার আসামি সালমান এফ রহমান। ট্রাইব্যুনাল অনুমতি দিলে তিনি বলেন, ‘সাক্ষীরা বলেন তারা ন্যায়বিচার চান। আমিও ন্যায়বিচার চাচ্ছি।’
সালমান এফ রহমান আরও বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলাম। বার কাউন্সিল নাকচ করেছে বলে খবরের কাগজে দেখেছি। আইন সংশোধন করে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের বিধান করা হয়েছে। অথচ আমাদের কোনো কারণ জানানো হয়নি। যুক্তি–তর্ক উপস্থাপনের সময় বিদেশি আইনজীবী খুবই প্রয়োজন। যাতে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয় সেই প্রার্থনা করছি।’
সালমান এফ রহমানের বক্তব্যের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের আইনে আছে বার কাউন্সিল অনুমতি দিলে।’
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, ‘তিনি বলছেন আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আবেদন নিষ্পত্তি না হলে তাঁরা হাইকোর্টে রিট করতে পারেন।’

দৈনিক টার্গেট 
























