ভরিতে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:০০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত হয়েছে

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণবাজারেও। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সব ধরনের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন মূল্য তালিকা ওই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত দরে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। আগের দামের তুলনায় প্রতি ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ১০৮ টাকা।

বাজুসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন মূল্য নির্ধারণের প্রয়োজন হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

এর আগে গত ৮ আগস্টও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় এক দফায় প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

চলতি বছরে দেশের স্বর্ণবাজারে দামের ওঠানামা ছিল উল্লেখযোগ্য। এখন পর্যন্ত মোট ১০১ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ বার দাম বৃদ্ধি, ৫০ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। ফলে বছরের শুরু থেকে স্বর্ণের বাজারে ধারাবাহিক অস্থিরতা বজায় রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এসব সূচকে পরিবর্তন এলেই দেশের বাজারেও দামের সমন্বয় করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য ও দেশীয় কাঁচামালের দামের গতিপ্রকৃতি অপরিবর্তিত থাকলে সামনে আরও মূল্য সমন্বয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই স্বর্ণ কেনা বা বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ মূল্য যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভরিতে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: ১১:০০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণবাজারেও। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সব ধরনের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন মূল্য তালিকা ওই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত দরে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। আগের দামের তুলনায় প্রতি ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ১০৮ টাকা।

বাজুসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন মূল্য নির্ধারণের প্রয়োজন হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

এর আগে গত ৮ আগস্টও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় এক দফায় প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

চলতি বছরে দেশের স্বর্ণবাজারে দামের ওঠানামা ছিল উল্লেখযোগ্য। এখন পর্যন্ত মোট ১০১ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ বার দাম বৃদ্ধি, ৫০ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। ফলে বছরের শুরু থেকে স্বর্ণের বাজারে ধারাবাহিক অস্থিরতা বজায় রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এসব সূচকে পরিবর্তন এলেই দেশের বাজারেও দামের সমন্বয় করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য ও দেশীয় কাঁচামালের দামের গতিপ্রকৃতি অপরিবর্তিত থাকলে সামনে আরও মূল্য সমন্বয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই স্বর্ণ কেনা বা বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ মূল্য যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।