স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ চাইছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পূর্বনির্ধারিত স্থান জেলা সদরেই থাকুক। অন্যদিকে ক্যাম্পাস নিয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপুর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, বলছে আরেকটি অংশ। এ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি অবস্থান ও কর্মসূচি পালন করছে।
জেলা সদরে ক্যাম্পাস স্থাপনের দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ টিপু মাদবরের নেতৃত্বে জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। ওই মিছিল থেকে হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপুকে কটূক্তি করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে তাঁর পক্ষ নিয়ে গত রোববার জেলা শহরে বিক্ষোভ করেন জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা।
তবে আমিনুর রহমান আমান মাদবর এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি এ ধরনের বক্তব্য দিইনি, আপনারা ভালো করে শুনেন।
এ বিষয়ে মাহবুব মোর্শেদ টিপু মাদবর বলেন, ‘আমাকে উদ্দেশ্য করে ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেওয়ার বক্তব্য আমি শুনেছি। এ বিষয়ে আমি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের সময় অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের স্থান জেলা সদরে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে গত ১৬ অক্টোবর জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে তাঁর নিজ এলাকা পূর্ব ডামুড্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপনের ঘোষণা দেন।

দৈনিক টার্গেট 






















