চাঁদপুরে তিন বিচারক প্রত্যাহারের দাবিতে আইনজীবীদের আন্দোলন অব্যাহত, বিক্ষোভ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আইনজীবীরা তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু। তিনি বলেন, ‘আজসহ আট দিন ধরে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত না মানা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’

তিনি বলেন, ‘বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে আইনজীবীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। আদালতের কারও সঙ্গে আইনজীবীদের ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে কাজের সমন্বয়ের অভাব থেকেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’

শামছুল ইসলাম মন্টু আরও বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। দাবিগুলো যৌক্তিক হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সাল কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশের আগে আইনজীবীদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

এর আগে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। তারও আগে ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে প্রায় সাড়ে চারশ আইনজীবীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত জরুরি সাধারণ সভায় তিন বিচারকের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আদালত বর্জনের সিদ্ধান্তে থাকা তিন বিচারক হলেন—চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক শম্পা ইসলাম।

সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, গণমাধ্যমে ছয়জনের মৃত্যুর যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। মৃতের তালিকায় জাহানারা বেগমের নাম থাকলেও তিনি জীবিত এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আগুনের আতঙ্কে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুইজন স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন।

দেয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আসন্ন ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব।’

জনপ্রিয় টার্গেট

অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত

চাঁদপুরে তিন বিচারক প্রত্যাহারের দাবিতে আইনজীবীদের আন্দোলন অব্যাহত, বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০২:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আইনজীবীরা তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু। তিনি বলেন, ‘আজসহ আট দিন ধরে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত না মানা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’

তিনি বলেন, ‘বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে আইনজীবীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। আদালতের কারও সঙ্গে আইনজীবীদের ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে কাজের সমন্বয়ের অভাব থেকেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’

শামছুল ইসলাম মন্টু আরও বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। দাবিগুলো যৌক্তিক হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সাল কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশের আগে আইনজীবীদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

এর আগে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। তারও আগে ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে প্রায় সাড়ে চারশ আইনজীবীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত জরুরি সাধারণ সভায় তিন বিচারকের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আদালত বর্জনের সিদ্ধান্তে থাকা তিন বিচারক হলেন—চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক শম্পা ইসলাম।

সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, গণমাধ্যমে ছয়জনের মৃত্যুর যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। মৃতের তালিকায় জাহানারা বেগমের নাম থাকলেও তিনি জীবিত এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আগুনের আতঙ্কে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুইজন স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন।

দেয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আসন্ন ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব।’