খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেলওয়ের একটি প্রতিনিধি দল। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। পরে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি ও জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বৃহস্পতিবারের মধ্যে একটি দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে বেলা ১টা ২৫ মিনিটে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি হলো—ঐতিহ্যবাহী আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে দুজন স্টেশনমাস্টারসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ; আধুনিক প্ল্যাটফর্ম, বিশ্রামাগারসহ মানসম্মত স্টেশন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন; এবং ঢাকা থেকে খুলনা ও খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির আপ-ডাউন যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে স্টেশনমাস্টার নিয়োগ দেওয়া হবে। বাকি দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’
অবরোধ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমান, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
এদিকে দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে অবরোধ করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ সময় অনেক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

দৈনিক টার্গেট 




















