পদ্মায় নৌকাডুবি: উদ্ধার ১০ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত হয়েছে

আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলার বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে পদ্মা নদীতে নৌকাটি ডুবে যায়।

নৌকাডুবির পর মো. ওয়াসিম (২৩) নামে এক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তিনি শামছুল আলমের ছেলে। অন্য ১১ জন যাত্রী পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।

পরে বিষয়টি জানতে পেরে সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের খান্দুয়া ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালান। সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে বিএসএফের পক্ষ থেকে বাখেরআলী ও ফরিদপুর বিজিবি বিওপি কমান্ডারদের জানানো হয়, নৌকাডুবির ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে চারজন পুরুষ, তিনজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছেন।

পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের তাঁদের নিকটাত্মীয় মো. ইসমাইল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবাই সুস্থ রয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—জহুরপুর (বকরীপাড়া) গ্রামের মো. রাসেল (২৬), মো. ইব্রাহিম (৫০), সওদাগর (৪০), মো. ইব্রাহিম (৬০), সখিনা (৪৫), নিলুফা (৩৫), তানিয়া (২২) ও তাঁর ২০ দিন বয়সী শিশু সন্তান, সানাউল্লাহ (৯) এবং আল আমিন (৯)।

এ ঘটনায় একই গ্রামের মো. মোস্তফা (৬০) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া ও নিখোঁজ সবাই নারায়ণপুর ইউনিয়নের জহুরপুর (বকরীপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নারায়ণগঞ্জে কর্মস্থলে ফেরার পথে বাসে উঠে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের কবলে পড়েন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ইউনিট ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম। বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তায় নামিয়ে দেওয়ার পর জাহাঙ্গীরকে বাসের ভেতর জিম্মি করে মারধর করা হয়।

গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আরও কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। ভবন হারিয়ে কোথাও খোলা আকাশের নিচে, আবার কোথাও ছাপড়ার নিচে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে

মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলে এনামুল যদি দোষী হয়ে থাকে, আমরা তার বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু সাড়ে ১৩ বছরেও তার অপরাধের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেল না। শুধু সন্দেহের কারণে আমার ছেলে কারাবন্দী রেখে আমাদের পরিবারটাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এখন তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক। সাগর-রুনি হত্যার অপবাদ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।

জনপ্রিয় টার্গেট

সাজেকে সড়ক অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে কৃষিপণ্য ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী বহনকারী যান

পদ্মায় নৌকাডুবি: উদ্ধার ১০ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

প্রকাশ: ১২:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলার বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে পদ্মা নদীতে নৌকাটি ডুবে যায়।

নৌকাডুবির পর মো. ওয়াসিম (২৩) নামে এক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তিনি শামছুল আলমের ছেলে। অন্য ১১ জন যাত্রী পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।

পরে বিষয়টি জানতে পেরে সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের খান্দুয়া ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালান। সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে বিএসএফের পক্ষ থেকে বাখেরআলী ও ফরিদপুর বিজিবি বিওপি কমান্ডারদের জানানো হয়, নৌকাডুবির ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে চারজন পুরুষ, তিনজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছেন।

পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের তাঁদের নিকটাত্মীয় মো. ইসমাইল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবাই সুস্থ রয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—জহুরপুর (বকরীপাড়া) গ্রামের মো. রাসেল (২৬), মো. ইব্রাহিম (৫০), সওদাগর (৪০), মো. ইব্রাহিম (৬০), সখিনা (৪৫), নিলুফা (৩৫), তানিয়া (২২) ও তাঁর ২০ দিন বয়সী শিশু সন্তান, সানাউল্লাহ (৯) এবং আল আমিন (৯)।

এ ঘটনায় একই গ্রামের মো. মোস্তফা (৬০) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া ও নিখোঁজ সবাই নারায়ণপুর ইউনিয়নের জহুরপুর (বকরীপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নারায়ণগঞ্জে কর্মস্থলে ফেরার পথে বাসে উঠে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের কবলে পড়েন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ইউনিট ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম। বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তায় নামিয়ে দেওয়ার পর জাহাঙ্গীরকে বাসের ভেতর জিম্মি করে মারধর করা হয়।

গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আরও কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। ভবন হারিয়ে কোথাও খোলা আকাশের নিচে, আবার কোথাও ছাপড়ার নিচে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে

মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলে এনামুল যদি দোষী হয়ে থাকে, আমরা তার বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু সাড়ে ১৩ বছরেও তার অপরাধের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেল না। শুধু সন্দেহের কারণে আমার ছেলে কারাবন্দী রেখে আমাদের পরিবারটাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এখন তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক। সাগর-রুনি হত্যার অপবাদ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।