সাঁথিয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার প্রবাসফেরত অভিযুক্ত স্বামী আব্দুর রহিমকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান।

স্থানীয় ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ আগে আব্দুর রহিম সৌদি আরবে যান। সেখানে ৬ বছর থাকার পর বর্তমানে মালয়েশিয়ায় থাকেন। প্রায় দুই মাস হলো ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। রোমেনা খাতুন তাঁর বাবার বাড়ি মাঝে মধ্যে টাকা পাঠান, এ নিয়ে তাঁর স্বামী আব্দুর রহিমের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আব্দুর রহিম তাঁর স্ত্রী রোমেনা খাতুনকে গলা টিপে হত্যা করে।

নিহতের স্বামী আব্দুর রহিম হত্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি প্রবাসে থাকা অবস্থায় আমার আয়ের বেশির ভাগ টাকা আমার স্ত্রী তাঁর বাবার বাড়ি পাঠায়। গতকাল সোমবার সে আমাকে না জানিয়ে গচ্ছিত ১৩ হাজার টাকা আবারও তাঁর বাবার বাড়ি পাঠায়। টাকার কথা জিজ্ঞেস করলে তাঁর সঙ্গে আমার ঝগড়া হয়। এ নিয়ে আমি তাঁকে গলা টিপে ধরলে সে মারা যায়। তবে আমি জানতাম না গলা টিপে ধরায় সে মারা যাবে।’

নিহত রোমেনা খাতুনের বাবা মরহম আলী জানান, ‘গতকাল সোমবার আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে যাই। আমার মেয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে তারা আমাকে জানান এবং তাঁকে দাফনের প্রক্রিয়া করতে থাকেন। কিন্তু মেয়ের গোসলের সময় তাঁর গায়ে মারধর ও গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে আমার সন্দেহ হয়। তখন থানা-পুলিশকে খবর দিই। ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ ঘটনার সত্যতা পায়। থানা-পুলিশ আব্দুর রহিমকে জিজ্ঞেস করলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। আমার মেয়ের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার নাতিদের এখন কী হবে? আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।’

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গৃহবধূর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। নিহতের গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হয়। তখন স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তাঁকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড

রোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রবেশ করতেই জেঁকে ধরেন দালাল চক্র। এরপর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্ত করে রোগী ও তার স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণায় হাতিয়ে নেওয়া হয় টাকা। এমন অবস্থায় অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল চত্বর থেকে দালাল চক্রের চারজনকে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছেন…

পাবনায় জোড়া খুন: দুই দিন পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার নেই

পাবনায় জোড়া খুন: দুই দিন পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার নেই

পাবনার সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে দুই রাজনৈতিক নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের একসঙ্গে জানাজা, একই গোরস্থানে দাফন

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের একসঙ্গে জানাজা, একই গোরস্থানে দাফন

পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে বজ্রপাতে নিহত ছয় শিশু, কিশোর ও তরুণের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ইউনিয়নের মহাদেবপুর গোরস্থান মাঠে তাঁদের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই গোরস্থানে সারিবদ্ধভাবে ছয়জনকে দাফন করা হয়।

জনপ্রিয় টার্গেট

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দীর ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যু

সাঁথিয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৬:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার প্রবাসফেরত অভিযুক্ত স্বামী আব্দুর রহিমকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান।

স্থানীয় ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ আগে আব্দুর রহিম সৌদি আরবে যান। সেখানে ৬ বছর থাকার পর বর্তমানে মালয়েশিয়ায় থাকেন। প্রায় দুই মাস হলো ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। রোমেনা খাতুন তাঁর বাবার বাড়ি মাঝে মধ্যে টাকা পাঠান, এ নিয়ে তাঁর স্বামী আব্দুর রহিমের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আব্দুর রহিম তাঁর স্ত্রী রোমেনা খাতুনকে গলা টিপে হত্যা করে।

নিহতের স্বামী আব্দুর রহিম হত্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি প্রবাসে থাকা অবস্থায় আমার আয়ের বেশির ভাগ টাকা আমার স্ত্রী তাঁর বাবার বাড়ি পাঠায়। গতকাল সোমবার সে আমাকে না জানিয়ে গচ্ছিত ১৩ হাজার টাকা আবারও তাঁর বাবার বাড়ি পাঠায়। টাকার কথা জিজ্ঞেস করলে তাঁর সঙ্গে আমার ঝগড়া হয়। এ নিয়ে আমি তাঁকে গলা টিপে ধরলে সে মারা যায়। তবে আমি জানতাম না গলা টিপে ধরায় সে মারা যাবে।’

নিহত রোমেনা খাতুনের বাবা মরহম আলী জানান, ‘গতকাল সোমবার আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে যাই। আমার মেয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে তারা আমাকে জানান এবং তাঁকে দাফনের প্রক্রিয়া করতে থাকেন। কিন্তু মেয়ের গোসলের সময় তাঁর গায়ে মারধর ও গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে আমার সন্দেহ হয়। তখন থানা-পুলিশকে খবর দিই। ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ ঘটনার সত্যতা পায়। থানা-পুলিশ আব্দুর রহিমকে জিজ্ঞেস করলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। আমার মেয়ের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার নাতিদের এখন কী হবে? আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।’

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গৃহবধূর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। নিহতের গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হয়। তখন স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তাঁকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড

রোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রবেশ করতেই জেঁকে ধরেন দালাল চক্র। এরপর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্ত করে রোগী ও তার স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণায় হাতিয়ে নেওয়া হয় টাকা। এমন অবস্থায় অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল চত্বর থেকে দালাল চক্রের চারজনকে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছেন…

পাবনায় জোড়া খুন: দুই দিন পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার নেই

পাবনায় জোড়া খুন: দুই দিন পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার নেই

পাবনার সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে দুই রাজনৈতিক নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের একসঙ্গে জানাজা, একই গোরস্থানে দাফন

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের একসঙ্গে জানাজা, একই গোরস্থানে দাফন

পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে বজ্রপাতে নিহত ছয় শিশু, কিশোর ও তরুণের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ইউনিয়নের মহাদেবপুর গোরস্থান মাঠে তাঁদের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই গোরস্থানে সারিবদ্ধভাবে ছয়জনকে দাফন করা হয়।