আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো মাঠের পরিবেশ।
জানাজার আগে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার আবেগাপ্লুত কণ্ঠে উপস্থিত সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া চান। তিনি বলেন, ‘আমার একটাই ছেলে। আমার ছেলে কুমিল্লার আকাশের নিচে আপনাদের ভালোবাসায় বড় হয়েছিল। আমি ওর বাবা হিসেবে আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। যদি কোনো আচরণে আপনারা দুঃখ পেয়ে থাকেন, আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। ওর জন্য দোয়া করবেন, ওর যেন বেহেশত নসিব হয়।’
এর আগে গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালায়।
পরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি এলাকায় জঙ্গলের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েন তার মা-বাবা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
প্রথম জানাজা শেষে অপ্রতিমের মরদেহ দ্বিতীয় জানাজার জন্য কুমিল্লার গন্ধমতী এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অতিরিক্ত ১ হাজার টন ইউরিয়া বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া অক্টোবর মাসের নিয়মিত বরাদ্দের ৩ হাজার ৬৩৯ টন সার আগাম উত্তোলনের অনুমতিও পাওয়া গেছে। সারের কোনো কমতি হবে না। কৃষকদের আশ্বস্ত করতে চাই, রবি মৌসুমেও সারের কোনো সংকট হবে না।
দৈনিক টার্গেট 





















