গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন এবং দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমান। তবে ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন পলাতক রয়েছেন।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিদ্যালয় চলাকালে এক ছাত্রী বাথরুমে গেলে সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন তাকে ধর্ষণ করেন এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলতে ভয়ভীতি দেখান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরদিন শিশুটি স্কুলে যেতে অস্বীকৃতি জানালে বিষয়টি তার পরিবার জানতে পারে। পরবর্তীকালে শিশুর বাবা বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মামলার প্রাথমিক তদন্তের বিষয়ে ওসি (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার পরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিনকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করেছিলেন। কিন্তু তিনি আইনগত বা প্রশাসনিক কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেনকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন।’
ওসি তদন্ত আরও জানান, আটক দুজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 

























