৩০ এপ্রিলের পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭৬ বার পঠিত হয়েছে

সরকার অবৈধ সিসা লাউঞ্জ, মাদক ও জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে সমন্বিত কঠোর অভিযানে নামতে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে।

মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় সিসা লাউঞ্জের আড়ালে মাদক সেবন, অবৈধ লেনদেন এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ বাড়ছে। এসব কার্যক্রম বন্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল রয়েছে।

বিশেষ করে, যেসব সিসা লাউঞ্জ বন্ধ করার পর নাম-পরিচয় পরিবর্তন করে আবার চালু হওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শুধু সিসা লাউঞ্জ নয় দেশজুড়ে মাদক, জুয়া এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে একসঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা হবে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে সংসদে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজধানীতে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধে সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।

এরই মধ্যে রাজধানীর বনানী এলাকায় অবস্থিত ‘দ্য এস লাউঞ্জ’ নামের একটি সিসা বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সেখানে মাদকদ্রব্য ব্যবহার ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন এই বিশেষ অভিযান শুধু অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মাদক ও জুয়ার পুরো চক্রকে ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এটি পরিচালিত হবে।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সমাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ট্রাম্প প্রশাসন বলছে—পুতিন ‘মানবতাবাদী’

৩০ এপ্রিলের পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান

প্রকাশ: ০৭:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

সরকার অবৈধ সিসা লাউঞ্জ, মাদক ও জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে সমন্বিত কঠোর অভিযানে নামতে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে।

মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় সিসা লাউঞ্জের আড়ালে মাদক সেবন, অবৈধ লেনদেন এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ বাড়ছে। এসব কার্যক্রম বন্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল রয়েছে।

বিশেষ করে, যেসব সিসা লাউঞ্জ বন্ধ করার পর নাম-পরিচয় পরিবর্তন করে আবার চালু হওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শুধু সিসা লাউঞ্জ নয় দেশজুড়ে মাদক, জুয়া এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে একসঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা হবে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে সংসদে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজধানীতে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধে সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।

এরই মধ্যে রাজধানীর বনানী এলাকায় অবস্থিত ‘দ্য এস লাউঞ্জ’ নামের একটি সিসা বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সেখানে মাদকদ্রব্য ব্যবহার ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন এই বিশেষ অভিযান শুধু অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মাদক ও জুয়ার পুরো চক্রকে ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এটি পরিচালিত হবে।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সমাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।