আজ রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীতে বাস রুট র্যাশনালাইজেশন কার্যক্রমের আওতায় সাতটি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।
শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী দেশের সম্পদ। এই জনগোষ্ঠীকে সম্পদে পরিণত করতে হলে সব ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনতে হবে। সব সরকারই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। তবে নানা প্রতিবন্ধকতা ও প্রভাবশালী মহলকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে তা বিলম্বিত হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কঠোর অবস্থান নেওয়ায় পরিবর্তনের উদ্যোগ দ্রুততর হয়েছে।
পাবনার এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, উদ্যোগটি শুধু কাগজে-কলমে বা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় তাঁরা অঙ্গীকারবদ্ধ। পরিবহন খাতের নানা অনিয়ম ও সীমাবদ্ধতার সমালোচনা স্বীকার করে তিনি বলেন, এসব কারণে তাঁরা নিজেরাও লজ্জিত। আত্মসমালোচনা গ্রহণ করে পরিবর্তন আনতে চান তাঁরা।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশে শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, পরিবহন খাত সচল থাকলে বাংলাদেশ সচল থাকে। বন্দর, নগর ও মানুষের জীবনযাত্রা সচল রাখতে পরিবহন খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে নানা অনিয়মের কারণে এ খাত নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। এসব সমালোচনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
ঢাকার পরিবহনব্যবস্থায় পরিবর্তনের বিষয়ে এমপি শিমুল বিশ্বাস বলেন, সাতটি রুটে বাস চলাচল শুরুর মধ্য দিয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রুটের বাসের জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। ঢাকার ৩২টি রুটে এ ব্যবস্থা চালু হলে নগরবাসীর মধ্যে পরিবহনব্যবস্থা নিয়ে আস্থা তৈরি হবে। উন্নত বিশ্বের নগরগুলোর মতো মানসম্মত পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে তাঁদের।
উদ্যোগটি বাস্তবায়নে পরিবহন মালিক, শ্রমিক, পুলিশ, কর্তৃপক্ষ ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চান এমপি।

দৈনিক টার্গেট 






















