রোববার (১ নভেম্বর) বিবিসি জানায়, গত ২৮ অক্টোবর মাদ্রিদের দক্ষিণে উর্দা এলাকার কাছে সংঘর্ষে জড়িত ট্রেন দুটির একটিতে যাত্রী হিসেবে ছিলেন ড. মার্তা শাহবাজি। তিনি এলএমবিতে একটি গবেষক দল পরিচালনা করতেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তাঁকে অ্যাফিলিয়েট অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে এলএমবি জানিয়েছিল, মার্তা দুর্ঘটনায় পড়া ট্রেনগুলোর একটিতে ছিলেন, তবে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না।
মার্তা শাহবাজি স্পেনের ন্যাশনাল ক্যানসার রিসার্চ সেন্টার থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে যোগ দেন। ২০২০ সালে তিনি এমআরসি ল্যাবরেটরি অব মলিকিউলার বায়োলজিতে যোগ দেন।
দুর্ঘটনাটি ঘটে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেনফে পরিচালিত একটি দ্রুতগতির ট্রেনের সঙ্গে ইরিও কোম্পানির পরিচালিত একটি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের সংঘর্ষে। রেনফের ট্রেনটি পেছন থেকে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়। আধুনিক ইউরোপের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এটি। ২০১৩ সালের পর স্পেনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
দুর্ঘটনার পর স্পেনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। দুটি ট্রেনে সব মিলিয়ে ৫৪০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা অঞ্চলের সরকারের মুখপাত্র এস্তের পাদিয়া জানান, ইরিও পরিচালিত ট্রেনটিতে ১৪৬ জন যাত্রী ও একটি শিশু ছিল। অন্যদিকে রেনফে পরিচালিত ট্রেনটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী।

দৈনিক টার্গেট 



























