রিবন্ডিংয়ের পর সাধারণ শ্যাম্পু ব্যবহার করা যাবে না। সাধারণ শ্যাম্পুতে থাকা ক্ষতিকর সালফেট ও প্যারাবেন চুলের স্বাভাবিক তেল ও আর্দ্রতা কেড়ে নেয়, যা চুলকে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলে। তাই প্রথম এক বছর সব সময় সালফেট-ফ্রি ও কেমিক্যালি প্রসেসড চুলের জন্য তৈরি মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনবার চুল ধোয়া যথেষ্ট; অতিরিক্ত ধোয়ার ফলে চুল স্বাভাবিক নমনীয়তা হারায়।
চুলের সোজা ভাব বজায় রাখতে এবং প্রোটিন ক্ষয় রুখতে কন্ডিশনার ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
রিবন্ডিং করা চুল উচ্চ তাপ এবং শক্তিশালী রাসায়নিকের মধ্য দিয়ে যায়। তাই রিবন্ডিংয়ের পর অন্তত এক বছরের জন্য যেকোনো ধরনের ড্রায়ার, স্ট্রেইটনার কিংবা কার্লিং আয়রন ব্যবহার বন্ধ রাখুন। চুল ভেজা থাকলে বাতাসে শুকানো নিরাপদ। এ ছাড়া ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে চুলে অন্য কোনো কালার, হাইলাইট বা ব্লিচিং করানো যাবে না, এতে চুল স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ভেজা অবস্থায় রিবন্ডিং করা চুল খুবই নাজুক থাকে। ভেজা চুল কখনোই আঁচড়াবেন না। চুল কিছুটা শুকানোর পর চওড়া দাঁতের কাঠের চিরুনি দিয়ে আলতো হাতে জট ছাড়াবেন। চুলে কোনো ধরনের শক্ত গার্ডার, মেটাল ক্লিপ বা শক্ত করে বাঁধবেন না, এতে চুলে স্থায়ী ভাঁজ বা দাগ পড়ে যেতে পারে। ঘুমানোর সময় সুতির বালিশের কাভারের বদলে সিল্ক বা স্যাটিনের কাভার ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঘর্ষণের কারণে চুল পড়া কমে।
সূর্যের তীব্র অতিবেগুনি রশ্মি রাসায়নিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা চুলের আর্দ্রতা শুষে নিয়ে চুল তামাটে ও শুষ্ক করে দেয়। তাই রিবন্ডিংয়ের পর বাইরে বের হলে ছাতা, স্কার্ফ বা টুপি দিয়ে চুল ঢেকে রাখতে চেষ্টা করুন। আর পুলে সাঁতার কাটার সময় অবশ্যই সুইমিং ক্যাপ পরবেন। কারণ, সুইমিংপুলের ক্লোরিনযুক্ত পানি রিবন্ডিংয়ের কেমিক্যাল বন্ধন নষ্ট করে দেয়।
চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে দুই থেকে তিন মাস পরপর আধা ইঞ্চি করে ট্রিম করুন। পাশাপাশি চুলের স্বাস্থ্যের জন্য প্রোটিন, বায়োটিন ও ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার; যেমন ডিম, বাদাম, শাকসবজি ও ফলমূল খাদ্যতালিকায় রাখুন।
রিবন্ডিং চুল সোজা করার একটি সাময়িক প্রক্রিয়ামাত্র। কিন্তু সেই সৌন্দর্য ধরে রেখে চুল সুস্থ, ঘন ও ঝলমলে রাখতে হলে পুরো একটি বছর নিয়ম মেনে সঠিক যত্ন নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক পণ্য ও সঠিক পদ্ধতির অভ্যাসে আপনার রিবন্ডিং করা চুল থাকবে দীর্ঘস্থায়ী ও প্রাণবন্ত।
সূত্র: উইকিহাউ ও স্টাইলক্রেজ অবলম্বনে
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে আমাদের ত্বকের টানটান ভাব। মুখের চামড়া কুঁচকে যাওয়া ও ভাঁজ পড়া, চোখের নিচে ভাঁজ পড়া, ত্বক নির্জীব হয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় এ সময়। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আজকাল অনেকে নানা ধরনের সেরাম ব্যবহার করেন।
দাওয়াতে বা বিশেষ অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে হালকা হলেও মেকআপ তো করাই হয়। তবে মূল উদ্দেশ্য থাকে উজ্জ্বল দেখানো। তাই বিশেষ দিনগুলোয় মেকআপের আগে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন নারীরা। এতে ত্বকে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়, সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং ত্বক হয় মসৃণ।
দৈনিক টার্গেট 
























