০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জানুন যুক্তরাজ্যের শীতকালীন উৎসবের অন্দরে কী থাকে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:০৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

স্কটল্যান্ডের পিটলোচ্রির ফাসকালি ফরেস্টে পা রাখলেই মনে হবে কোনো টাইম মেশিনের ভেতর ঢুকে পড়েছেন। স্থানীয় লোককথা বলে, এই জঙ্গলটি নাকি প্রতি ২৫ বছরে মানুষের জীবনের এক ঘণ্টা সময় চুরি করে নেয়! আর এই রহস্যকে ঘিরেই স্কটল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শরৎকালীন আয়োজন দ্য এনচ্যান্টেড ফরেস্ট-এর ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপিত হয়েছে ‘স্টপ দ্য ক্লক: দ্য ২৫থ আওয়ার’ থিমে। জিউয়েল-হিউড বা রত্নখচিত বনের পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে যখন কানে বাজে কাল্পনিক সুর আর চোখে পড়ে মিচড়ে যাওয়া অদ্ভুত সব ঘড়ি, তখন মনে হবে রূপকথার কোনো পাতায় হারিয়ে গেছেন। মূলত মানুষকে প্রকৃতির কাছাকাছি আনতে এবং দীর্ঘ রাতের বিষণ্নতা কাটিয়ে একটি শৈল্পিক আবহ তৈরি করতেই এই অনন্য আয়োজন।

ইংল্যান্ডের লিভারপুলে পা রাখলে দেখবেন, মার্সি নদীর তীর আর শহরের আইকনগুলো রঙিন আলোয় ঝলমল করছে। ইউরোপের বড় বড় লাইট ফেস্টিভ্যালগুলোতে সাধারণত চড়া মূল্যের টিকিট কাটতে হয়, কিন্তু লিভারপুলের মার্সি নদীর তীরের এই ফেস্টিভ্যালটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও ফ্রি। এখানে কোনো এন্ট্রি গেট বা লাইন ধরার ঝামেলা নেই। টুগেদার থিম সামনে রেখে এখানে ছয় মিটার উঁচু পিয়োনি ফুল কিংবা জ্যাক-ইন-দ্য-বক্সের মতো অবাক করা শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। শিল্প ও সাধারণ মানুষের দূরত্ব ঘুচিয়ে শহরকে এক মিলনমেলায় পরিণত করাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।

হ্যালোইনের প্রচলিত গা ছমছমে ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে গ্লুচেস্টারশায়ারের স্লিমব্রিজ ওয়েটল্যান্ড সেন্টার নিয়ে এসেছে এক অভিনব আয়োজন। হ্যালোইনের ভূত-ভয় বা ভীতিপ্রদ পরিবেশ যাদের ভালো লাগে না, তাদের জন্য এটি এক চমৎকার বিকল্প। এখানে ভয়ের কোনো ব্যাপার নেই, বরং জলাভূমির আসল জীবজন্তুদের নিয়ে তৈরি বিশাল সব আলো ঝলমলে লণ্ঠন প্রকৃতির এক মায়াবী রূপ ফুটিয়ে তোলে। জলাভূমির প্রাকৃতিক রূপের আদলে তৈরি বিশাল সব হস্তনির্মিত লণ্ঠন যেমন দৈত্যাকার ব্যাঙ বা মাছরাঙা, পুরো পরিবেশকে এক মায়াবী রূপ দেয়। একই সঙ্গে লিংকনশায়ারের পেঁচা দেখা কিংবা মার্সহেডে কাঁচের ঘরের ভেতর থেকে ব্যাজারদের খাবার খাওয়ার দৃশ্য দেখার মতো আয়োজনগুলো বন্যপ্রাণীর প্রতি মানুষের কৌতূহল ও ভালোবাসাকে জাগিয়ে তোলে।

শীতের এই দীর্ঘ রাতগুলো কেবল কম্বলের নিচে গুটিসুটি মেরে কাটানোর জন্য নয়। এই সময়টা প্রকৃতির রূপ বদলে যাওয়ার এই সময়টা আমাদের মনে করিয়ে দেয় অন্ধকার যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আলো, শিল্প আর মানবীয় উষ্ণতা মিলে তাকে ঠিকই জাদুকরী করে তুলতে পারে।

লন্ডনে ফ্ল্যাট না কিনে কম দামে নির্জন দ্বীপ কিনেছিলেন বেয়ার গ্রিলস

লন্ডনে ফ্ল্যাট না কিনে কম দামে নির্জন দ্বীপ কিনেছিলেন বেয়ার গ্রিলস

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও দুঃসাহসিক অভিযাত্রী বেয়ার গ্রিলস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাদ দিয়ে স্ত্রী শারা গ্রিলসকে সঙ্গে নিয়ে কিনে ফেলেন ওয়েলসের উপকূলের ২০ একরের একটি নির্জন দ্বীপ। সঙ্গে কেনেন টেমস নদীতে থাকা একটি হাউসবোটও।

কর্মক্ষেত্রে কমনসেন্স ধরে রাখবেন যেভাবে

কর্মক্ষেত্রে কমনসেন্স ধরে রাখবেন যেভাবে

দরজার সামনে বড় বড় করে লেখা ‘ধাক্কা দিন’ কিংবা পুশ। কিন্তু আপনি গিয়ে সজোরে টান দিলেন! কিংবা লিফটে ওঠার সময় ভেতরের মানুষগুলোকে বের হওয়ার সুযোগ না দিয়েই হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে পড়লেন। এই ছোটখাটো ঘটনাগুলো আমাদের সবারই কমবেশি জানা। কিন্তু যখন আমরা অফিসে পা রাখি, তখন এই কমনসেন্সের সংজ্ঞা যেন আরও একটু গোলমেল

কলিন্সের বর্ষসেরা শব্দ ‘মগিং’-এর মানে কী

কলিন্সের বর্ষসেরা শব্দ ‘মগিং’-এর মানে কী

প্রতিযোগিতায় কাউকে ছাপিয়ে যাওয়া, নিজের চেহারা কিংবা পারফরম্যান্স দিয়ে অন্যকে ম্লান করে দেওয়ার অর্থে ব্যবহৃত নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় স্ল্যাং ‘মগিং’-কে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্যের অভিধান প্রকাশনা সংস্থা কলিন্স।

জনপ্রিয় টার্গেট

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করলেই শ্রমিকেরা হয়ে যান ‘তৃতীয় পক্ষ’

জানুন যুক্তরাজ্যের শীতকালীন উৎসবের অন্দরে কী থাকে

প্রকাশ: ০৭:০৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

স্কটল্যান্ডের পিটলোচ্রির ফাসকালি ফরেস্টে পা রাখলেই মনে হবে কোনো টাইম মেশিনের ভেতর ঢুকে পড়েছেন। স্থানীয় লোককথা বলে, এই জঙ্গলটি নাকি প্রতি ২৫ বছরে মানুষের জীবনের এক ঘণ্টা সময় চুরি করে নেয়! আর এই রহস্যকে ঘিরেই স্কটল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শরৎকালীন আয়োজন দ্য এনচ্যান্টেড ফরেস্ট-এর ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপিত হয়েছে ‘স্টপ দ্য ক্লক: দ্য ২৫থ আওয়ার’ থিমে। জিউয়েল-হিউড বা রত্নখচিত বনের পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে যখন কানে বাজে কাল্পনিক সুর আর চোখে পড়ে মিচড়ে যাওয়া অদ্ভুত সব ঘড়ি, তখন মনে হবে রূপকথার কোনো পাতায় হারিয়ে গেছেন। মূলত মানুষকে প্রকৃতির কাছাকাছি আনতে এবং দীর্ঘ রাতের বিষণ্নতা কাটিয়ে একটি শৈল্পিক আবহ তৈরি করতেই এই অনন্য আয়োজন।

ইংল্যান্ডের লিভারপুলে পা রাখলে দেখবেন, মার্সি নদীর তীর আর শহরের আইকনগুলো রঙিন আলোয় ঝলমল করছে। ইউরোপের বড় বড় লাইট ফেস্টিভ্যালগুলোতে সাধারণত চড়া মূল্যের টিকিট কাটতে হয়, কিন্তু লিভারপুলের মার্সি নদীর তীরের এই ফেস্টিভ্যালটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও ফ্রি। এখানে কোনো এন্ট্রি গেট বা লাইন ধরার ঝামেলা নেই। টুগেদার থিম সামনে রেখে এখানে ছয় মিটার উঁচু পিয়োনি ফুল কিংবা জ্যাক-ইন-দ্য-বক্সের মতো অবাক করা শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। শিল্প ও সাধারণ মানুষের দূরত্ব ঘুচিয়ে শহরকে এক মিলনমেলায় পরিণত করাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।

হ্যালোইনের প্রচলিত গা ছমছমে ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে গ্লুচেস্টারশায়ারের স্লিমব্রিজ ওয়েটল্যান্ড সেন্টার নিয়ে এসেছে এক অভিনব আয়োজন। হ্যালোইনের ভূত-ভয় বা ভীতিপ্রদ পরিবেশ যাদের ভালো লাগে না, তাদের জন্য এটি এক চমৎকার বিকল্প। এখানে ভয়ের কোনো ব্যাপার নেই, বরং জলাভূমির আসল জীবজন্তুদের নিয়ে তৈরি বিশাল সব আলো ঝলমলে লণ্ঠন প্রকৃতির এক মায়াবী রূপ ফুটিয়ে তোলে। জলাভূমির প্রাকৃতিক রূপের আদলে তৈরি বিশাল সব হস্তনির্মিত লণ্ঠন যেমন দৈত্যাকার ব্যাঙ বা মাছরাঙা, পুরো পরিবেশকে এক মায়াবী রূপ দেয়। একই সঙ্গে লিংকনশায়ারের পেঁচা দেখা কিংবা মার্সহেডে কাঁচের ঘরের ভেতর থেকে ব্যাজারদের খাবার খাওয়ার দৃশ্য দেখার মতো আয়োজনগুলো বন্যপ্রাণীর প্রতি মানুষের কৌতূহল ও ভালোবাসাকে জাগিয়ে তোলে।

শীতের এই দীর্ঘ রাতগুলো কেবল কম্বলের নিচে গুটিসুটি মেরে কাটানোর জন্য নয়। এই সময়টা প্রকৃতির রূপ বদলে যাওয়ার এই সময়টা আমাদের মনে করিয়ে দেয় অন্ধকার যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আলো, শিল্প আর মানবীয় উষ্ণতা মিলে তাকে ঠিকই জাদুকরী করে তুলতে পারে।

লন্ডনে ফ্ল্যাট না কিনে কম দামে নির্জন দ্বীপ কিনেছিলেন বেয়ার গ্রিলস

লন্ডনে ফ্ল্যাট না কিনে কম দামে নির্জন দ্বীপ কিনেছিলেন বেয়ার গ্রিলস

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও দুঃসাহসিক অভিযাত্রী বেয়ার গ্রিলস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাদ দিয়ে স্ত্রী শারা গ্রিলসকে সঙ্গে নিয়ে কিনে ফেলেন ওয়েলসের উপকূলের ২০ একরের একটি নির্জন দ্বীপ। সঙ্গে কেনেন টেমস নদীতে থাকা একটি হাউসবোটও।

কর্মক্ষেত্রে কমনসেন্স ধরে রাখবেন যেভাবে

কর্মক্ষেত্রে কমনসেন্স ধরে রাখবেন যেভাবে

দরজার সামনে বড় বড় করে লেখা ‘ধাক্কা দিন’ কিংবা পুশ। কিন্তু আপনি গিয়ে সজোরে টান দিলেন! কিংবা লিফটে ওঠার সময় ভেতরের মানুষগুলোকে বের হওয়ার সুযোগ না দিয়েই হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে পড়লেন। এই ছোটখাটো ঘটনাগুলো আমাদের সবারই কমবেশি জানা। কিন্তু যখন আমরা অফিসে পা রাখি, তখন এই কমনসেন্সের সংজ্ঞা যেন আরও একটু গোলমেল

কলিন্সের বর্ষসেরা শব্দ ‘মগিং’-এর মানে কী

কলিন্সের বর্ষসেরা শব্দ ‘মগিং’-এর মানে কী

প্রতিযোগিতায় কাউকে ছাপিয়ে যাওয়া, নিজের চেহারা কিংবা পারফরম্যান্স দিয়ে অন্যকে ম্লান করে দেওয়ার অর্থে ব্যবহৃত নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় স্ল্যাং ‘মগিং’-কে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্যের অভিধান প্রকাশনা সংস্থা কলিন্স।