বক্স ব্রিদিং কমাতে পারে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৯ বার পঠিত হয়েছে

আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা মানসিক চাপে থাকলে শরীর উচ্চ সতর্কতায় চলে যায়। বক্স ব্রিদিংয়ের সময় ধীরগতিতে শ্বাস নেওয়া এবং সাময়িকভাবে শ্বাস আটকে রাখার ফলে রক্তে মৃদু কার্বন ডাই-অক্সাইড জমা হয়। এটি আমাদের প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপ্ত করে হৃৎস্পন্দন কমিয়ে আনে এবং স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা দ্রুত নামিয়ে আনে। ফলে মন ও শরীর স্বয়ংক্রিয়ভাবে শান্ত হতে শুরু করে।

ব্যায়ামটি শুরু করার আগে একটি আরামদায়ক জায়গায় পিঠ সোজা করে বসুন। দুটি হাত আলতো করে কোলের ওপর রাখুন। চাইলে একটি হাত বুকে এবং অন্যটি পেটের ওপর রাখতে পারেন। শুরুতে স্বাভাবিকভাবে মুখ দিয়ে ফুসফুসের সব বাতাস বের করে দিন।

যদি শুরুতে ৪ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখতে কষ্ট হয়, তবে ২ বা ৩ সেকেন্ড দিয়ে শুরু করতে পারেন। নতুনদের জন্য নিরিবিলি ও মৃদু আলোযুক্ত ঘর বেছে নেওয়া ভালো। দিনে একাধিকবার বা কাজের চাপের মধ্যে নিজেকে রিচার্জ করতে এই ব্যায়াম করা যায়। মনে রাখবেন, গর্ভবতী, হৃদ্‌রোগ বা গুরুতর অসুস্থতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এটি শুরু করা ভালো। অনুশীলনের সময় কোনো কারণে মাথাঘোরা বা তীব্র শ্বাসকষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক শ্বাসে ফিরে আসুন। কিছুটা সময় নিজের শ্বাসের প্রতি মনোযোগ দেওয়া আমাদের সারা দিনের কাজের গতি এবং মানসিক স্বাস্থ্য পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।

কথায় বলে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝতে হয়। দাঁত ভালো রাখার জন্য কি শুধু দাঁতের যত্ন নিয়ে থেমে গেলে চলবে? আমাদের মুখে প্রায় ৭০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস নিয়ে একটি জটিল অণুজীবের সমাজ বা ওরাল মাইক্রোবায়োম আছে। তাই শুধু দাঁত পরিষ্কার রাখাই যথেষ্ট নয়।

বাইরে থেকে এসে অনেকে স্যালাইন খাওয়া পছন্দ করেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে এসে স্যালাইন খাওয়া উচিত নয়। কারণ, স্যালাইনের পানি মূলত ডায়রিয়া রোগীদের জন্য। আপনি পিপাসা মেটাতে স্যালাইন খেলে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

কোনো স্পষ্ট রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বা জটিল এড়াতে আগেই রোগ শনাক্ত করার চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত পরীক্ষা হলো হেলথ স্ক্রিনিং। এটি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

জনপ্রিয় টার্গেট

এসআরবি নামে যাত্রা শুরু র‍্যাবের, লোগোর নকশা অপরিবর্তিত

বক্স ব্রিদিং কমাতে পারে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

প্রকাশ: ০৯:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা মানসিক চাপে থাকলে শরীর উচ্চ সতর্কতায় চলে যায়। বক্স ব্রিদিংয়ের সময় ধীরগতিতে শ্বাস নেওয়া এবং সাময়িকভাবে শ্বাস আটকে রাখার ফলে রক্তে মৃদু কার্বন ডাই-অক্সাইড জমা হয়। এটি আমাদের প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপ্ত করে হৃৎস্পন্দন কমিয়ে আনে এবং স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা দ্রুত নামিয়ে আনে। ফলে মন ও শরীর স্বয়ংক্রিয়ভাবে শান্ত হতে শুরু করে।

ব্যায়ামটি শুরু করার আগে একটি আরামদায়ক জায়গায় পিঠ সোজা করে বসুন। দুটি হাত আলতো করে কোলের ওপর রাখুন। চাইলে একটি হাত বুকে এবং অন্যটি পেটের ওপর রাখতে পারেন। শুরুতে স্বাভাবিকভাবে মুখ দিয়ে ফুসফুসের সব বাতাস বের করে দিন।

যদি শুরুতে ৪ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখতে কষ্ট হয়, তবে ২ বা ৩ সেকেন্ড দিয়ে শুরু করতে পারেন। নতুনদের জন্য নিরিবিলি ও মৃদু আলোযুক্ত ঘর বেছে নেওয়া ভালো। দিনে একাধিকবার বা কাজের চাপের মধ্যে নিজেকে রিচার্জ করতে এই ব্যায়াম করা যায়। মনে রাখবেন, গর্ভবতী, হৃদ্‌রোগ বা গুরুতর অসুস্থতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এটি শুরু করা ভালো। অনুশীলনের সময় কোনো কারণে মাথাঘোরা বা তীব্র শ্বাসকষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক শ্বাসে ফিরে আসুন। কিছুটা সময় নিজের শ্বাসের প্রতি মনোযোগ দেওয়া আমাদের সারা দিনের কাজের গতি এবং মানসিক স্বাস্থ্য পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।

কথায় বলে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝতে হয়। দাঁত ভালো রাখার জন্য কি শুধু দাঁতের যত্ন নিয়ে থেমে গেলে চলবে? আমাদের মুখে প্রায় ৭০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস নিয়ে একটি জটিল অণুজীবের সমাজ বা ওরাল মাইক্রোবায়োম আছে। তাই শুধু দাঁত পরিষ্কার রাখাই যথেষ্ট নয়।

বাইরে থেকে এসে অনেকে স্যালাইন খাওয়া পছন্দ করেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে এসে স্যালাইন খাওয়া উচিত নয়। কারণ, স্যালাইনের পানি মূলত ডায়রিয়া রোগীদের জন্য। আপনি পিপাসা মেটাতে স্যালাইন খেলে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

কোনো স্পষ্ট রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বা জটিল এড়াতে আগেই রোগ শনাক্ত করার চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত পরীক্ষা হলো হেলথ স্ক্রিনিং। এটি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।