দুই শিশুকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা, পরিকল্পনা ছিল অন্য দুই সন্তানকেও হত্যার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:২০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত হয়েছে

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার চটকাপোতা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তিনা হলো ওই গ্রামের মৃত নেদন আলীর ছেলে ভ্যানচালক কামাল হোসেন (৪৫) ও তাঁর শিশুসন্তান সাবির হোসেন (৫) ও জাবির হোসেন (৩)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কামাল হোসেনের তিন স্ত্রীর সাতজন সন্তান রয়েছে। প্রথম দুই স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তৃতীয় স্ত্রী পারিবারিক কলহের জেরে নড়াইলে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর শিশু সাবির, জাবির, আবিতা (১০) ও আবির (৮) বাবা কামালের সঙ্গে ছিলেন।

আজ দুপুরে সেমি-পাকা টিনের ঘরে শিশু জাবির ও সাবিরকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন কামাল। পরে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে ফ্যান ও আড়ার সঙ্গে তাদের ঝুলিয়ে রাখেন। এরপর তিনি নিজে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন এবং অপর দুই সন্তানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। হত্যার উদ্দেশে মেয়ে আবিতাকে বলেন ছেলে আবিরকে ডেকে নিয়ে আসতে। এরই মধ্যে তীব্র বিষক্রিয়ায় কামাল বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে লুটিয়ে পড়েন এবং মারা যান।

কিছু সময় পর শিশু আবিতা ও আবির বাড়ি ফিরে ভাইদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চাচি শিরিনা বেগমকে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে ঘটনাটি জানায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপের কামাল হোসেন নিজের সন্তানদের হত্যা করে নিজেকেও শেষ করে দিয়েছেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।

বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

দুই শিশুকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা, পরিকল্পনা ছিল অন্য দুই সন্তানকেও হত্যার

প্রকাশ: ০৯:২০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার চটকাপোতা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তিনা হলো ওই গ্রামের মৃত নেদন আলীর ছেলে ভ্যানচালক কামাল হোসেন (৪৫) ও তাঁর শিশুসন্তান সাবির হোসেন (৫) ও জাবির হোসেন (৩)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কামাল হোসেনের তিন স্ত্রীর সাতজন সন্তান রয়েছে। প্রথম দুই স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তৃতীয় স্ত্রী পারিবারিক কলহের জেরে নড়াইলে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর শিশু সাবির, জাবির, আবিতা (১০) ও আবির (৮) বাবা কামালের সঙ্গে ছিলেন।

আজ দুপুরে সেমি-পাকা টিনের ঘরে শিশু জাবির ও সাবিরকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন কামাল। পরে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে ফ্যান ও আড়ার সঙ্গে তাদের ঝুলিয়ে রাখেন। এরপর তিনি নিজে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন এবং অপর দুই সন্তানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। হত্যার উদ্দেশে মেয়ে আবিতাকে বলেন ছেলে আবিরকে ডেকে নিয়ে আসতে। এরই মধ্যে তীব্র বিষক্রিয়ায় কামাল বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে লুটিয়ে পড়েন এবং মারা যান।

কিছু সময় পর শিশু আবিতা ও আবির বাড়ি ফিরে ভাইদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চাচি শিরিনা বেগমকে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে ঘটনাটি জানায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপের কামাল হোসেন নিজের সন্তানদের হত্যা করে নিজেকেও শেষ করে দিয়েছেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।

বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।