০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েল ইস্যুতে নির্বাচনী চাপ, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ঐতিহাসিক বাঁক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত হয়েছে

বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের (ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান) পররাষ্ট্রনীতির মূল স্তম্ভ ছিল ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি। সেই সর্বসম্মত নীতিতে ট্রাম্পের এই আকস্মিক মন্তব্য মার্কিন কৌশলগত অবস্থানের এক অভূতপূর্ব ফাটলকে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে এই ঘোষণা কি শুধুই ভোটদিনের রাজনৈতিক চমক, নাকি ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পূর্বাভাস—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর সংশয়।

যদিও স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে অধিকাংশ আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার তথ্য মিলছে। এমনকি রিপাবলিকানদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি টেক্সাস ও সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এলাকায় তারা এরই মধ্যে আসন হারিয়েছে।

ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪০০ কোটি ডলার দিতাম। কিন্তু মাস কয়েক আগেই আমরা এটি বন্ধ করার চুক্তি করেছি…এতে তাদের কোনো আপত্তি নেই, কারণ তারা এখন খুব সফল একটি দেশ। এই বছরের শেষ থেকেই আমরা ইসরায়েলকে আর অর্থ দেব না।’

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৬ সালে ওবামা প্রশাসনের আমলে স্বাক্ষরিত ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের শেষে এই অর্থ বন্ধ করতে হলে চুক্তি বাতিল করতে হবে, যা মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া আইনিভাবে প্রায় অসম্ভব।

এ ছাড়া, এই সহায়তার সিংহভাগই মূলত একটি ‘মার্কিন ভর্তুকি’ হিসেবে কাজ করে—কারণ ইসরায়েলকে দেওয়া এই অর্থ সরাসরি আমেরিকার অস্ত্র প্রস্তুতকারী কারখানাগুলোতে ফিরে আসে। ফলে এটি হঠাৎ বন্ধ হলে মার্কিন সামরিক শিল্প এবং অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানেও এর প্রভাব পড়বে।

১. প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব: মিশিগানের সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদের মতো প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতারা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পেছনে মার্কিন জনগণের করের টাকা ব্যয় হওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে। ট্রাম্প তাঁর সাক্ষাৎকারে সরাসরি এই প্রগতিশীলদের কটাক্ষ করলেও, পরোক্ষভাবে তাঁদের উত্থাপিত যুক্তিকেই মেনে নিয়েছেন।

২. ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ও ‘মাগা’ শিবিরের চাপ: গাজা সংকট ও ইরান যুদ্ধের পটভূমিতে ট্রাম্পের নিজস্ব ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ (MAGA) সমর্থক ও ডানপন্থী পডকাস্টারদের মধ্যেও ইসরায়েলকে বিনা শর্তে সহায়তা দেওয়ার বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে। সম্প্রতি কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা গেছে, রেকর্ড ৪৮ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত সমর্থন দিচ্ছে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ মূলত তাঁর নিজস্ব বিচ্ছিন্নতাবাদী বা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ জনভিত্তিকে সন্তুষ্ট করার একটি চেষ্টা।

এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এল যখন ইসরায়েল নিজেই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ ঝুলন্ত।

যদিও নেতানিয়াহু ইতিপূর্বে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইসরায়েল আগামী এক দশকের মধ্যে মার্কিন অনুদান থেকে নিজেদের মুক্ত করতে চায়, তবুও ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ওয়াশিংটনের এই অনিশ্চিত বার্তা তেল আবিবের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত অস্বস্তি তৈরি করেছে।

পররাষ্ট্রনীতির প্রবীণ বিশেষজ্ঞ ব্রেট ম্যাকগার্কের মতে, ‘এটি তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক অক্ষ ভেঙে ফেলবে না। ইসরায়েল এখন একটি শক্তিশালী অর্থনীতি, তারা নিজেদের অর্থেই মার্কিন অস্ত্র কিনতে সক্ষম।’ তবে বড় প্রশ্ন হলো, মার্কিন কংগ্রেসে যদি ইসরায়েলবিরোধী জনমত জোরালো হয়, তবে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টরা অস্ত্র বিক্রির জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন পাবেন কিনা।

সাবেক ওবামা প্রশাসনের চিফ অব স্টাফ রাম এমানুয়েল সম্প্রতি সতর্ক করেন, ‘গাজা ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে আমেরিকান জনগণের মনোভাবের পরিবর্তন কেবল ডেমোক্রেটিক পার্টির সমস্যা নয়, এটি আমেরিকার জাতীয় সমস্যা।’

ফলাফল যা-ই হোক, নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ফলাফল যা-ই হোক, নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের পর আগামী কয়েক মাসে দেশ দুটির ক্ষমতার সমীকরণ কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নেতারা নির্বাচন দুটির ফলাফলের দিকে গভীর নজর রাখছেন। নির্বাচনের ফল যা-ই হোক না কেন, নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা মাথায় রেখে…

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে—দাবি বিশ্বখ্যাত ভূরাজনৈতিক কৌশলবিদের

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে—দাবি বিশ্বখ্যাত ভূরাজনৈতিক কৌশলবিদের

বিশ্ব কি ইতিমধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বখ্যাত ভূরাজনৈতিক কৌশলবিদ ও লেখক পরাগ খান্না বলছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদদের অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

সরকার গঠন নিয়ে সংকট, কিংমেকার আরবরাই—ইসরায়েলের সামনে চার পথ

সরকার গঠন নিয়ে সংকট, কিংমেকার আরবরাই—ইসরায়েলের সামনে চার পথ

নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ইসরায়েলে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলতে পারে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের মধ্যপন্থী…

জনপ্রিয় টার্গেট

বাংলাদেশ কি ভারতের আধিপত্যের মুকুটে ভাগ বসাতে পারবে

ইসরায়েল ইস্যুতে নির্বাচনী চাপ, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ঐতিহাসিক বাঁক

প্রকাশ: ১১:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের (ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান) পররাষ্ট্রনীতির মূল স্তম্ভ ছিল ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি। সেই সর্বসম্মত নীতিতে ট্রাম্পের এই আকস্মিক মন্তব্য মার্কিন কৌশলগত অবস্থানের এক অভূতপূর্ব ফাটলকে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে এই ঘোষণা কি শুধুই ভোটদিনের রাজনৈতিক চমক, নাকি ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পূর্বাভাস—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর সংশয়।

যদিও স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে অধিকাংশ আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার তথ্য মিলছে। এমনকি রিপাবলিকানদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি টেক্সাস ও সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এলাকায় তারা এরই মধ্যে আসন হারিয়েছে।

ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪০০ কোটি ডলার দিতাম। কিন্তু মাস কয়েক আগেই আমরা এটি বন্ধ করার চুক্তি করেছি…এতে তাদের কোনো আপত্তি নেই, কারণ তারা এখন খুব সফল একটি দেশ। এই বছরের শেষ থেকেই আমরা ইসরায়েলকে আর অর্থ দেব না।’

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৬ সালে ওবামা প্রশাসনের আমলে স্বাক্ষরিত ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের শেষে এই অর্থ বন্ধ করতে হলে চুক্তি বাতিল করতে হবে, যা মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া আইনিভাবে প্রায় অসম্ভব।

এ ছাড়া, এই সহায়তার সিংহভাগই মূলত একটি ‘মার্কিন ভর্তুকি’ হিসেবে কাজ করে—কারণ ইসরায়েলকে দেওয়া এই অর্থ সরাসরি আমেরিকার অস্ত্র প্রস্তুতকারী কারখানাগুলোতে ফিরে আসে। ফলে এটি হঠাৎ বন্ধ হলে মার্কিন সামরিক শিল্প এবং অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানেও এর প্রভাব পড়বে।

১. প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব: মিশিগানের সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদের মতো প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতারা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পেছনে মার্কিন জনগণের করের টাকা ব্যয় হওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে। ট্রাম্প তাঁর সাক্ষাৎকারে সরাসরি এই প্রগতিশীলদের কটাক্ষ করলেও, পরোক্ষভাবে তাঁদের উত্থাপিত যুক্তিকেই মেনে নিয়েছেন।

২. ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ও ‘মাগা’ শিবিরের চাপ: গাজা সংকট ও ইরান যুদ্ধের পটভূমিতে ট্রাম্পের নিজস্ব ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ (MAGA) সমর্থক ও ডানপন্থী পডকাস্টারদের মধ্যেও ইসরায়েলকে বিনা শর্তে সহায়তা দেওয়ার বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে। সম্প্রতি কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা গেছে, রেকর্ড ৪৮ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত সমর্থন দিচ্ছে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ মূলত তাঁর নিজস্ব বিচ্ছিন্নতাবাদী বা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ জনভিত্তিকে সন্তুষ্ট করার একটি চেষ্টা।

এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এল যখন ইসরায়েল নিজেই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ ঝুলন্ত।

যদিও নেতানিয়াহু ইতিপূর্বে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইসরায়েল আগামী এক দশকের মধ্যে মার্কিন অনুদান থেকে নিজেদের মুক্ত করতে চায়, তবুও ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ওয়াশিংটনের এই অনিশ্চিত বার্তা তেল আবিবের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত অস্বস্তি তৈরি করেছে।

পররাষ্ট্রনীতির প্রবীণ বিশেষজ্ঞ ব্রেট ম্যাকগার্কের মতে, ‘এটি তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক অক্ষ ভেঙে ফেলবে না। ইসরায়েল এখন একটি শক্তিশালী অর্থনীতি, তারা নিজেদের অর্থেই মার্কিন অস্ত্র কিনতে সক্ষম।’ তবে বড় প্রশ্ন হলো, মার্কিন কংগ্রেসে যদি ইসরায়েলবিরোধী জনমত জোরালো হয়, তবে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টরা অস্ত্র বিক্রির জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন পাবেন কিনা।

সাবেক ওবামা প্রশাসনের চিফ অব স্টাফ রাম এমানুয়েল সম্প্রতি সতর্ক করেন, ‘গাজা ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে আমেরিকান জনগণের মনোভাবের পরিবর্তন কেবল ডেমোক্রেটিক পার্টির সমস্যা নয়, এটি আমেরিকার জাতীয় সমস্যা।’

ফলাফল যা-ই হোক, নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ফলাফল যা-ই হোক, নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের পর আগামী কয়েক মাসে দেশ দুটির ক্ষমতার সমীকরণ কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নেতারা নির্বাচন দুটির ফলাফলের দিকে গভীর নজর রাখছেন। নির্বাচনের ফল যা-ই হোক না কেন, নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা মাথায় রেখে…

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে—দাবি বিশ্বখ্যাত ভূরাজনৈতিক কৌশলবিদের

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে—দাবি বিশ্বখ্যাত ভূরাজনৈতিক কৌশলবিদের

বিশ্ব কি ইতিমধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বখ্যাত ভূরাজনৈতিক কৌশলবিদ ও লেখক পরাগ খান্না বলছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদদের অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

সরকার গঠন নিয়ে সংকট, কিংমেকার আরবরাই—ইসরায়েলের সামনে চার পথ

সরকার গঠন নিয়ে সংকট, কিংমেকার আরবরাই—ইসরায়েলের সামনে চার পথ

নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ইসরায়েলে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলতে পারে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের মধ্যপন্থী…