ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে মায়ামি। ক্যাড কাউয়েলের ক্রস থেকে বল নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ স্ট্রাইকার জুলিয়ান হলের চাপে পড়ে আত্মঘাতী গোলটি করেন তিনি।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকা মায়ামি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে মেসি মাঠে নামার পর। ৫৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন চলতি মৌসুমে এমএলএসে ২৫ গোল করা এই ফরোয়ার্ড। তাঁর পাসে রক্ষণ ভেঙে গোলের সুযোগও তৈরি হয়। তবে তেলাসকো সেগোভিয়ার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে সমতায় ফেরা হয়নি মায়ামির।
মেসির পায়ে বল গেলে আক্রমণে নতুন প্রাণ পায় মায়ামি। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হয় শেষ দিকে। ক্যামেরন হার্পারের পাস থেকে গোল করে নিউইয়র্কের জয় নিশ্চিত করেন এমিল ফর্সবার্গ। তাতে ২-০ ব্যবধানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
ম্যাচ শেষে নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করেন মায়ামি কোচ গঞ্জালেস। তিনি বলেন, ‘মাঝমাঠে আমরা অনেক বেশি বল হারিয়েছি, নিজেদের গোলমুখের দিকে মুখ করে অতিরিক্ত পাস খেলেছি এবং পেছন থেকে আক্রমণ গড়ে তুলতে সমস্যায় পড়েছি। এর দায় আমাকে নিতে হবে।’
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা উন্নতি করলেও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন গঞ্জালেস, ‘বিরতিতে খেলোয়াড়দের বলেছিলাম, আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমরা কিছুটা উন্নতি করেছি, তবে আমি সন্তুষ্ট নই, খেলোয়াড়েরাও নয়। এই হার আমাদের জন্য একটি শিক্ষা। এটি মনে করিয়ে দেয়, আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। আমাদের শিথিল হলে চলবে না।’
হারের পরও পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মায়ামি। দিনের শুরুতে সাপোর্টার্স শিল্ড নিশ্চিত করা ন্যাশভিলের চেয়ে তারা পিছিয়ে ১৫ পয়েন্টে। আগামী বুধবার নিজেদের মাঠে এফসি সিনসিনাটির মুখোমুখি হবে মায়ামি।

দৈনিক টার্গেট 



























