হৃদয়-লিটনদের ব্যাটিং শেখালেন নাঈম

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত হয়েছে

হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ৫২ রান করেন নাঈম। টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডারদের ব্যর্থতার পর মূলত তাঁর ব্যাটে সওয়ার করেই ঢাকা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। জিততে হলে ক্যারিবীয়দের করতে হবে ১৭০ রান। মিরপুরের উইকেটের বাস্তবতায় এই রান করতে বেশ কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে তাদের।

প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪২ রানে অলআউট হয়েছে। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। দলীয় ৫৩ রানেই ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে খাদের কিনারায় চলে যায় স্বাগতিকেরা। এরপর জাকের আলীকে নিয়ে তৃতীয় দিনের বাকি অংশে আর কোনো বিপদ হতে দেননি নাঈম। ২৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন পার করেন তাঁরা দুজন।

আজ দিনের শুরুতেই একটি বাউন্ডারি মেরে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন জাকের। কিন্তু স্লিপে চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২২ রানেই থামেন তিনি। সঙ্গী হারালেও দমে যাননি নাঈম। একপ্রান্ত আগলে রেখে হাসান, মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলামকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। পুরো সময় পরিণত ব্যাটারের মতোই ব্যাট চালিয়েছেন। কঠিন বল ডিফেন্স করেছেন। সুযোগ পেলেই বাউন্ডারিতে বল সীমানা ছাড়া করেছেন। নাঈম জ্বলে উঠলেন দলের ক্রান্তিকালেই।

নাঈম যেখানে হিসেব এবং দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেছেন, সেখানে লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন শান্তরা ছিলেন বেশ মলিন। এদের কেউই বল পড়তে পারেননি। তানজিদ হাসান তামিম ও হৃদয় তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। আউট হওয়া প্রথম ৬ ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ রান করেন সাদমান ইসলাম। হৃদয় তো আরও একবার আউট হয়েছেন কাণ্ডজ্ঞানহীন শট খেলে। স্বীকৃত ব্যাটারদের এমন ব্যর্থতার পর মনে রাখার মতো একটা ইনিংসই খেলেলেন নাঈম।

ফের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া

ফের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া

মিরপুর শেরেবাংলায় সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘূর্ণি জাদুতে চোখে সর্ষেফুল দেখছে বাংলাদেশ। তা দেখে প্রকৃতিরও মন খারাপ হয়ে গেল। চতুর্থ দিনের সকালের সেশনে ফের বাগড়া দিল বৃষ্টি।

এবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ধরাশায়ী ভারত

এবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ধরাশায়ী ভারত

ওয়েলিংটনে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে যা হয়েছিল, তা বোঝাতে সুনামি, সাইক্লোন শব্দগুলোও যেন কম পড়ে যায়। ভিডিও গেমসের মতো ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা। তিন দিন পর আজ এক রকম প্রতিশোধ নিল নিউজিল্যান্ড।

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসের শেষটা যেভাবে হয়েছিল, দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংটা চলছে সেভাবেই। ৫১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট পড়েছে মুড়ি মুড়কির মতো। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে লিডসহ স্বাগতিকদের স্কোর ১০০ পেরোলেও পড়ে গেছে ৬ উইকেট।

জনপ্রিয় টার্গেট

সিরাজগঞ্জে আত্মসমর্পণ করলেন তিন জেলার ৬৫ চরমপন্থী

হৃদয়-লিটনদের ব্যাটিং শেখালেন নাঈম

প্রকাশ: ১২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ৫২ রান করেন নাঈম। টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডারদের ব্যর্থতার পর মূলত তাঁর ব্যাটে সওয়ার করেই ঢাকা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। জিততে হলে ক্যারিবীয়দের করতে হবে ১৭০ রান। মিরপুরের উইকেটের বাস্তবতায় এই রান করতে বেশ কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে তাদের।

প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪২ রানে অলআউট হয়েছে। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। দলীয় ৫৩ রানেই ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে খাদের কিনারায় চলে যায় স্বাগতিকেরা। এরপর জাকের আলীকে নিয়ে তৃতীয় দিনের বাকি অংশে আর কোনো বিপদ হতে দেননি নাঈম। ২৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন পার করেন তাঁরা দুজন।

আজ দিনের শুরুতেই একটি বাউন্ডারি মেরে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন জাকের। কিন্তু স্লিপে চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২২ রানেই থামেন তিনি। সঙ্গী হারালেও দমে যাননি নাঈম। একপ্রান্ত আগলে রেখে হাসান, মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলামকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। পুরো সময় পরিণত ব্যাটারের মতোই ব্যাট চালিয়েছেন। কঠিন বল ডিফেন্স করেছেন। সুযোগ পেলেই বাউন্ডারিতে বল সীমানা ছাড়া করেছেন। নাঈম জ্বলে উঠলেন দলের ক্রান্তিকালেই।

নাঈম যেখানে হিসেব এবং দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেছেন, সেখানে লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন শান্তরা ছিলেন বেশ মলিন। এদের কেউই বল পড়তে পারেননি। তানজিদ হাসান তামিম ও হৃদয় তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। আউট হওয়া প্রথম ৬ ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ রান করেন সাদমান ইসলাম। হৃদয় তো আরও একবার আউট হয়েছেন কাণ্ডজ্ঞানহীন শট খেলে। স্বীকৃত ব্যাটারদের এমন ব্যর্থতার পর মনে রাখার মতো একটা ইনিংসই খেলেলেন নাঈম।

ফের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া

ফের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া

মিরপুর শেরেবাংলায় সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘূর্ণি জাদুতে চোখে সর্ষেফুল দেখছে বাংলাদেশ। তা দেখে প্রকৃতিরও মন খারাপ হয়ে গেল। চতুর্থ দিনের সকালের সেশনে ফের বাগড়া দিল বৃষ্টি।

এবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ধরাশায়ী ভারত

এবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ধরাশায়ী ভারত

ওয়েলিংটনে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে যা হয়েছিল, তা বোঝাতে সুনামি, সাইক্লোন শব্দগুলোও যেন কম পড়ে যায়। ভিডিও গেমসের মতো ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা। তিন দিন পর আজ এক রকম প্রতিশোধ নিল নিউজিল্যান্ড।

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসের শেষটা যেভাবে হয়েছিল, দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংটা চলছে সেভাবেই। ৫১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট পড়েছে মুড়ি মুড়কির মতো। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে লিডসহ স্বাগতিকদের স্কোর ১০০ পেরোলেও পড়ে গেছে ৬ উইকেট।