নিউল্যান্ডসে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৬ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম টেস্টে হারের পর টানা দুই জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকেরা।
শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১০০ রানে পিছিয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে রায়ান রিকেলটন ও উইয়ান মুল্ডারের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় দলটি। বল হাতে সাইমন হারমার তুলে নেন ১০ উইকেট। কাগিসো রাবাদাও শেষ ইনিংসে শুরুতেই তিন উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের পথ প্রশস্ত করেন।
ম্যাচ শেষে বাভুমা কৃতিত্ব দিয়েছেন সতীর্থদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিউল্যান্ডসের দর্শকদের। আগের দিনের ভালো অবস্থান ধরে রাখাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক বলেন, ‘নিউল্যান্ডসের দর্শকদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। ম্যাচে তাদের সমর্থন আমাদের বাড়তি শক্তি জুগিয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম আগের দিনের মোমেন্টাম ধরে রাখতে। দলের চরিত্র ও মানসিকতা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। রিকেলটন ও মুল্ডার আমাদের ভালো অবস্থানে নিয়ে গেছে। আজ রাবাদা সবকিছুর সূচনা করেছে, এরপর আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ শক্তভাবে ধরে রাখতে পেরেছি।’
দলের বোলিং আক্রমণকে সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখছেন বাভুমা। তাঁর মতে, পেস কিংবা স্পিন সহায়ক, দুই ধরনের উইকেটেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার সামর্থ্য রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের, ‘আমাদের বোলিং আক্রমণই দলের মেরুদণ্ড। সাফল্যের অন্যতম কারণ এটি। উইকেট পেসারদের সহায়ক হলে আমাদের সেই মানের বোলার আছে, আবার স্পিন সহায়ক উইকেটেও আমরা কার্যকর। গকেবেরহায় হারমারের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা ছিল, তবে সে একজন লড়াকু ক্রিকেটার।’
সিরিজ জয়ের আনন্দ আপাতত উপভোগ করতে চান বাভুমা। তবে খুব বেশি সময় উদ্যাপনে কাটানোর সুযোগ নেই। এক সপ্তাহ পর দলের সঙ্গে বসে বাংলাদেশের বিপক্ষে পরবর্তী সিরিজের প্রস্তুতি শুরু করবেন তাঁরা। বাভুমা বলেন, ‘আমরা যে জায়গায় যেতে চাই, সেদিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এত আবেগ ও উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর সবকিছু স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এক সপ্তাহ পর আমরা আবার একত্র হব এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রস্তুতি শুরু করব। আপাতত নিজেদের অর্জনটা উপভোগ করতে চাই, বুঝতে চাই আমরা কী অর্জন করেছি।’

দৈনিক টার্গেট 


























