কলকাতা ও রাজ্যজুড়ে শারদীয় উৎসবের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসব সিদ্ধান্ত নেন।
মহাষ্টমীর ধর্মীয় গুরুত্ব তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেদিন আমরা মাতৃচরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করি, সেদিন রাজ্যে সব ধরনের মদের দোকান ও বার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। অষ্টমীর পবিত্র দিনে মদ বিক্রি করা চলবে না।’
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটিই প্রথম ঘটনা, যেখানে কোনো সরকার দুর্গোৎসবের নির্দিষ্ট কোনো দিনে মদ বিক্রির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করল। ইতিপূর্বে বামফ্রন্ট বা তৃণমূল কংগ্রেস—কোনো সরকারের আমলেই দুর্গাপূজার দিনে এমন সিদ্ধান্ত দেখা যায়নি।
এ ছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় মেয়াদে শুরু হওয়া রেড রোডের জাঁকজমকপূর্ণ ‘পুজো কার্নিভ্যাল’ বন্ধ করার বড় ঘোষণা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিলোত্তমার সেরা প্রতিমাগুলো বিসর্জনের আগে প্যারেডের মাধ্যমে রেড রোডে প্রদর্শন করা হতো, যা নিয়ে নানা সময় পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, গত বছর উত্তরবঙ্গে যখন ভয়াবহ বন্যা ও ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছিল, তখন কলকাতায় মমতার উপস্থিতিতে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ কার্নিভ্যাল নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এই কার্নিভ্যালকে উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি অবহেলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল।
প্রতিমা বিসর্জনের সময় শব্দদূষণ রুখতে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় সব ধরনের ‘ডিজে মিউজিক’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপূজার অন্তত এক দিন আগে সব ক্লাব ও পূজা কমিটিকে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কলকাতা ও রাজ্যজুড়ে ‘থিম পূজার’ ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী পূজা কমিটিগুলোকে সনাতন ঐতিহ্য বজায় রাখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিমা, মণ্ডপ, থিম কিংবা অলংকরণের নামে এমন কিছু করবেন না, যা সনাতন ধর্মীয় অনুভূতি বা বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে আঘাত হানে।’ শুভেন্দুর এই সুর মূলত আরএসএস-সংশ্লিষ্ট বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
তবে আগের সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত পূজা কমিটিকে সরকার এক লাখ টাকা করে অনুদান দেবে বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী। এ ছাড়া ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই করপোরেশন (সিইএসসি) ও রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের মাধ্যমে পূজামণ্ডপে বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে এবং বাধ্যতামূলক ফায়ার সেফটি লাইসেন্সের ফিও মওকুফ করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে ফিরে এলেও প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষে পাঠানো এক চিঠিতে তাঁদের বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে।
গত ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যবর্তী তিন বছরে ইসরায়েল ত্যাগ করেছেন প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন চিকিৎসক। এক দশক আগের তুলনায় চিকিৎসকদের এই দেশত্যাগের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ (৯৪ শতাংশ বৃদ্ধি)। তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে…
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তেলের তুলনায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি পরিবহন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আসন্ন শীতে ইউরোপকে এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে এলএনজি নিয়ে কঠিন প্রতিযোগিতায় নামতে হতে পারে।
দৈনিক টার্গেট 





















