প্রস্তাবটি পাস হলে জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া কোনো দেশের বিরুদ্ধে সুইজারল্যান্ডের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ সীমিত হয়ে যেত। একই সঙ্গে ন্যাটো সামরিক জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ তৈরি হতো।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর সুইজারল্যান্ডের শতাব্দীপ্রাচীন নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। রাশিয়া প্রকাশ্যে এই উদ্যোগকে সমর্থন করেছিল। দেশটির ডানপন্থী সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) প্রস্তাবটির পক্ষে থাকলেও সরকার ও অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দল এর বিরোধিতা করে।
সুইস সম্প্রচারমাধ্যম এসআরএফ-কে গবেষণা প্রতিষ্ঠান Gfs. bern-এর সহপরিচালক লুকাস গোল্ডার বলেন, ভোটারেরা নিরপেক্ষতার ধারণা প্রত্যাখ্যান করেননি; বরং ভোটের ফলাফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতি তাঁদের সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস বলেন, দেশটির নিরপেক্ষতা ঐতিহাসিকভাবেই কিছুটা নমনীয়ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার অর্থ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখে নীরব থাকা নয়।
তবে যুদ্ধরত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির নিষেধাজ্ঞা, যার মধ্যে ইউক্রেনও রয়েছে, প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা সুইজারল্যান্ডের নেই।
১৮১৫ সালে ভিয়েনা কংগ্রেসের মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের ‘চিরস্থায়ী নিরপেক্ষতা’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। পরে ১৯০৭ সালের হেগ কনভেনশনে এর আইনি কাঠামো নির্ধারিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও দেশটি নিরপেক্ষ ছিল।
তবে সেই সময় নাৎসি জার্মানির লুট করা সোনা গ্রহণ এবং ইহুদি শরণার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়ার মতো নীতির জন্য পরবর্তী সময়ে সমালোচনার মুখে পড়ে সুইজারল্যান্ড। ১৯৯০-এর দশকে দেশটির সরকার এসব নীতির জন্য ক্ষমা চায়।
সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতন্ত্রের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত প্রায়ই গণভোটের মাধ্যমে জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়।
চীনের ‘পান্ডা কূটনীতি’র দীর্ঘ ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা চিড়িয়াখানায় পৌঁছেছে দুটি জায়ান্ট পান্ডা। পুরুষ পান্ডাটির নাম পিং পিং আর স্ত্রীটির নাম ফু শুয়াং। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু থেকে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফেডএক্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রায় ১৬ ঘণ্টার যাত্
থাই মন্ত্রিসভা ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর সরকারি ছুটি হিসেবে অনুমোদন করে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও সড়কে যান চলাচলের বিঘ্ন কমানো এবং মানুষের যাতায়াতের চাপ কমাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের রুশ-অধিকৃত শহর ওলেশকিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। খাবার, পানি ও চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে সেখানে থাকা প্রায় ২ হাজার বেসামরিক মানুষ (যাদের মধ্যে প্রায় ৫০টি শিশু) চরম অনাহারের মুখে পড়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 
























