১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭৫০০ কোটি টাকা ঢেলেও রিপাবলিকানদের জেতাতে ব্যর্থ প্রযুক্তি সিইওরা, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৩৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

অনুদানদাতাদের মধ্যে শীর্ষের ছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। তিনি একাই প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের বিভিন্ন নির্বাচনী লড়াইয়ে ৪৭ কোটি ডলার বা ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেন। এর ফলে নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানরা বিপুল অর্থ সংগ্রহের সুবিধা পেয়েছিল। এবারের নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল।

মাস্কের ব্যয়ের প্রায় অর্ধেকই খরচ হয়েছিল টেক্সাসের রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের পক্ষে। নানা কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত প্যাক্সটন মঙ্গলবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোর কাছে পরাজিত হন। প্যাক্সটনের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে সিনেটের আসনে লড়াই করা অন্য রিপাবলিকান প্রার্থীরাও পরাজিত হয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকজন রিপাবলিকান প্রার্থীও হেরেছেন।

অলাভজনক সংস্থা টেক ওভারসাইট প্রজেক্টের প্রধান সাচা হাওয়ার্থ বলেন, ‘প্রযুক্তি নির্বাহীরা শত শত কোটি ডলার ব্যয় করেছেন। কিন্তু তাঁদের এই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত কেবল কাগুজে বাঘের মতোই প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকানরা তাঁদের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রভাব এবং তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।’

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কয়েক মাস ধরে বিগ টেকের নির্বাচনী ব্যয়ের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা এক রাজনৈতিক কৌশলবিদ বলেন, ‘এই অর্থ কোনো কাজে আসেনি। ইলন মাস্ক অর্ধশত কোটি ডলার ব্যয় করেছেন, অথচ তিনি যেসব নির্বাচনী লড়াইয়ে অর্থ ঢেলেছেন, সেগুলোর প্রতিটিতেই হেরেছেন তাঁর সমর্থিত প্রার্থীরা।’

এনবিসির নির্বাচনী বুথফেরত জরিপ বা এক্সিট পোল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ভোটার জানিয়েছেন, এআই ডেটা সেন্টার তাঁদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ কিংবা বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। তবে প্রযুক্তি খাতের ধনকুবেরদের বিপুল নির্বাচনী ব্যয়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের ক্ষোভের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়েও অসন্তোষ কাজ করেছে।

ওই রাজনৈতিক কৌশলবিদের ভাষায়, এসব কারণ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোটের ‘একচেটিয়া’ বা ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভোটের ঢেউ এতটাই প্রবল ছিল যে প্রযুক্তি খাতের নির্বাচনী ব্যয়কে পুরোপুরি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।’

মাস্কের পাশাপাশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগকারী মার্ক অ্যান্ড্রিসেন ও বেন হোরোভিৎস মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৯ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেন। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ জেমিনির সহপ্রতিষ্ঠাতা ক্যামেরন ও টাইলার উইঙ্কলভস ব্যয় করেন ৫০ লাখ ডলারের বেশি।

ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যান এবং তাঁর স্ত্রী আনা মাগা ইনকরপোরেটেডকে (MAGA Inc) আড়াই কোটি ডলার এবং এআই-সমর্থক প্রধান রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি (পিএসি) লিডিং দ্য ফিউচারকে আরও আড়াই কোটি ডলার অনুদান দেন।

অ্যান্ড্রিসেন ও হোরোভিৎস লিডিং দ্য ফিউচারকে ৫ কোটি ডলার অনুদান দেন। সংস্থাটি মূলত ট্রাম্পের মনোনীত প্রার্থীদের সমর্থনে অর্থ ব্যয় করে।

দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলেইন গ্রাহামও এই পিএসির কাছ থেকে ২৫ লাখ ডলারের সমর্থন পেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অপ্রত্যাশিতভাবে পরাজিত হন তিনি। এর ফলে কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো অঙ্গরাজ্যটিতে সিনেটের একটি আসন পায় ডেমোক্র্যাটরা।

প্রযুক্তি শিল্পের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কয়েক ডজন ডেটা সেন্টার নির্মাণে স্থগিতাদেশ (মোরাটোরিয়াম) পাস হয়েছে। এআই শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করা এই অবকাঠামো নির্মাণের বিরোধিতা করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ভোটাররা।

মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা প্রতিনিধি পরিষদের প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের জোটের নেতা গ্রেগ কাসারসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ইতিমধ্যে আগামী বছর কংগ্রেসে নতুন ক্ষমতা ব্যবহার করে এআই কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের শপথের অধীনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার দাবি জানাচ্ছেন।

হেরে যুদ্ধের খেসারত দিলেন ট্রাম্প, ইরান ইস্যুতে এবার হাঁটবেন কোন পথে

হেরে যুদ্ধের খেসারত দিলেন ট্রাম্প, ইরান ইস্যুতে এবার হাঁটবেন কোন পথে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের রাজনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। এখন তাঁকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ক্ষয়ক্ষতি মেনে নিয়ে সমঝোতার পথে এগোবেন, নাকি কঠোর অবস্থানে থেকে আবারও ইরানে বোমা হামলা শুরু করবেন।

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে নাস্তানাবুদ হলো রিপাবলিকান পার্টি। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুটোরই নিয়ন্ত্রণ গেল ডেমোক্র্যাটদের হাতে।

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। এই জয়ের পর আলোচনায় এসেছে, ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী? এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, অভিবাসন নীতির কী হবে, সেটাও রয়েছে আলোচনায়।

জনপ্রিয় টার্গেট

টিভিতে আজ কোথায় কোন খেলা দেখবেন

৭৫০০ কোটি টাকা ঢেলেও রিপাবলিকানদের জেতাতে ব্যর্থ প্রযুক্তি সিইওরা, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ: ০৯:৩৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

অনুদানদাতাদের মধ্যে শীর্ষের ছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। তিনি একাই প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের বিভিন্ন নির্বাচনী লড়াইয়ে ৪৭ কোটি ডলার বা ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেন। এর ফলে নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানরা বিপুল অর্থ সংগ্রহের সুবিধা পেয়েছিল। এবারের নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল।

মাস্কের ব্যয়ের প্রায় অর্ধেকই খরচ হয়েছিল টেক্সাসের রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের পক্ষে। নানা কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত প্যাক্সটন মঙ্গলবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোর কাছে পরাজিত হন। প্যাক্সটনের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে সিনেটের আসনে লড়াই করা অন্য রিপাবলিকান প্রার্থীরাও পরাজিত হয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকজন রিপাবলিকান প্রার্থীও হেরেছেন।

অলাভজনক সংস্থা টেক ওভারসাইট প্রজেক্টের প্রধান সাচা হাওয়ার্থ বলেন, ‘প্রযুক্তি নির্বাহীরা শত শত কোটি ডলার ব্যয় করেছেন। কিন্তু তাঁদের এই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত কেবল কাগুজে বাঘের মতোই প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকানরা তাঁদের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রভাব এবং তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।’

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কয়েক মাস ধরে বিগ টেকের নির্বাচনী ব্যয়ের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা এক রাজনৈতিক কৌশলবিদ বলেন, ‘এই অর্থ কোনো কাজে আসেনি। ইলন মাস্ক অর্ধশত কোটি ডলার ব্যয় করেছেন, অথচ তিনি যেসব নির্বাচনী লড়াইয়ে অর্থ ঢেলেছেন, সেগুলোর প্রতিটিতেই হেরেছেন তাঁর সমর্থিত প্রার্থীরা।’

এনবিসির নির্বাচনী বুথফেরত জরিপ বা এক্সিট পোল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ভোটার জানিয়েছেন, এআই ডেটা সেন্টার তাঁদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ কিংবা বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। তবে প্রযুক্তি খাতের ধনকুবেরদের বিপুল নির্বাচনী ব্যয়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের ক্ষোভের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়েও অসন্তোষ কাজ করেছে।

ওই রাজনৈতিক কৌশলবিদের ভাষায়, এসব কারণ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোটের ‘একচেটিয়া’ বা ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভোটের ঢেউ এতটাই প্রবল ছিল যে প্রযুক্তি খাতের নির্বাচনী ব্যয়কে পুরোপুরি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।’

মাস্কের পাশাপাশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগকারী মার্ক অ্যান্ড্রিসেন ও বেন হোরোভিৎস মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৯ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেন। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ জেমিনির সহপ্রতিষ্ঠাতা ক্যামেরন ও টাইলার উইঙ্কলভস ব্যয় করেন ৫০ লাখ ডলারের বেশি।

ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যান এবং তাঁর স্ত্রী আনা মাগা ইনকরপোরেটেডকে (MAGA Inc) আড়াই কোটি ডলার এবং এআই-সমর্থক প্রধান রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি (পিএসি) লিডিং দ্য ফিউচারকে আরও আড়াই কোটি ডলার অনুদান দেন।

অ্যান্ড্রিসেন ও হোরোভিৎস লিডিং দ্য ফিউচারকে ৫ কোটি ডলার অনুদান দেন। সংস্থাটি মূলত ট্রাম্পের মনোনীত প্রার্থীদের সমর্থনে অর্থ ব্যয় করে।

দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলেইন গ্রাহামও এই পিএসির কাছ থেকে ২৫ লাখ ডলারের সমর্থন পেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অপ্রত্যাশিতভাবে পরাজিত হন তিনি। এর ফলে কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো অঙ্গরাজ্যটিতে সিনেটের একটি আসন পায় ডেমোক্র্যাটরা।

প্রযুক্তি শিল্পের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কয়েক ডজন ডেটা সেন্টার নির্মাণে স্থগিতাদেশ (মোরাটোরিয়াম) পাস হয়েছে। এআই শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করা এই অবকাঠামো নির্মাণের বিরোধিতা করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ভোটাররা।

মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা প্রতিনিধি পরিষদের প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের জোটের নেতা গ্রেগ কাসারসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ইতিমধ্যে আগামী বছর কংগ্রেসে নতুন ক্ষমতা ব্যবহার করে এআই কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের শপথের অধীনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার দাবি জানাচ্ছেন।

হেরে যুদ্ধের খেসারত দিলেন ট্রাম্প, ইরান ইস্যুতে এবার হাঁটবেন কোন পথে

হেরে যুদ্ধের খেসারত দিলেন ট্রাম্প, ইরান ইস্যুতে এবার হাঁটবেন কোন পথে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের রাজনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। এখন তাঁকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ক্ষয়ক্ষতি মেনে নিয়ে সমঝোতার পথে এগোবেন, নাকি কঠোর অবস্থানে থেকে আবারও ইরানে বোমা হামলা শুরু করবেন।

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে নাস্তানাবুদ হলো রিপাবলিকান পার্টি। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুটোরই নিয়ন্ত্রণ গেল ডেমোক্র্যাটদের হাতে।

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। এই জয়ের পর আলোচনায় এসেছে, ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী? এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, অভিবাসন নীতির কী হবে, সেটাও রয়েছে আলোচনায়।