০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৪ সালে ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত হয়েছে

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

৭ নভেম্বরের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র কখনোই থেমে থাকেনি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্রের পথ ধরে তারা মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে পুনরায় তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালে পুনরায় ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে।

২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও প্রায় একইভাবে সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।

৭ নভেম্বর হলো স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনাকার্টা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে, দেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ণয়ের দিন। যতবার বাংলাদেশ ৭ নভেম্বরের পথরেখা বিচ্যুত হয়েছে, ততবার দেশ এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২ নভেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দী করা হয়েছিল।

স্বাধীনতার ঘোষককে কারাবন্দী রেখে দেশের স্বার্থবিরোধী যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। এ কারণেই দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর 'আমরা বাংলাদেশি' পরিচয় নির্ধারণের ভিত্তিভূমিও রচিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যারা এই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছেন, নাগরিক হিসেবে সবার একটাই গর্বিত পরিচয়— ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছিল।

সুতরাং, যত দিন বাংলাদেশ থাকবে ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব এবং তাৎপর্যও তত দিন প্রাসঙ্গিক থাকবে। ৭ নভেম্বরের নায়ক দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতা।

আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিএনপি। এদিন বেলা ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হতে যাওয়া এ শোভাযাত্রায় হেঁটে অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

৭ নভেম্বরের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৭ নভেম্বরের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা অপরিহার্য।

জনপ্রিয় টার্গেট

গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর, দেওয়া হবে মোবাইল বিলও

২০২৪ সালে ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

৭ নভেম্বরের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র কখনোই থেমে থাকেনি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্রের পথ ধরে তারা মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে পুনরায় তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালে পুনরায় ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে।

২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও প্রায় একইভাবে সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।

৭ নভেম্বর হলো স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনাকার্টা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে, দেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ণয়ের দিন। যতবার বাংলাদেশ ৭ নভেম্বরের পথরেখা বিচ্যুত হয়েছে, ততবার দেশ এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২ নভেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দী করা হয়েছিল।

স্বাধীনতার ঘোষককে কারাবন্দী রেখে দেশের স্বার্থবিরোধী যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। এ কারণেই দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর 'আমরা বাংলাদেশি' পরিচয় নির্ধারণের ভিত্তিভূমিও রচিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যারা এই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছেন, নাগরিক হিসেবে সবার একটাই গর্বিত পরিচয়— ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছিল।

সুতরাং, যত দিন বাংলাদেশ থাকবে ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব এবং তাৎপর্যও তত দিন প্রাসঙ্গিক থাকবে। ৭ নভেম্বরের নায়ক দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতা।

আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিএনপি। এদিন বেলা ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হতে যাওয়া এ শোভাযাত্রায় হেঁটে অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

৭ নভেম্বরের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৭ নভেম্বরের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা অপরিহার্য।