চলতি অধিবেশনেই বাংলাদেশ সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি পাসের উদ্যোগ, কার্যকর আগামী বছরের প্রথমার্ধে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা অর্থনৈতিক উন্নতির ওপর ভর করে বাংলাদেশের আগামী মাসের শেষ দিকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এলডিসি সুবিধা উঠে গেলে উন্নত দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আগের মতো আর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে না। তবে জাপানের সঙ্গে এই অর্থনৈতিক চুক্তি কার্যকর হলে, এলডিসি উত্তরণের পর যেসব নতুন শুল্ক আরোপ হবে, সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই সামলে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দেশের মধ্যে এই অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে দুই দেশের পার্লামেন্টে এটি অনুমোদন পাওয়া সহ ভেতরের সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে পরস্পরকে জানাতে হবে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের মধ্যেই চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে পারে।

চুক্তিটি কার্যকর হলে বাংলাদেশ জাপান থেকে যেসব গাড়ির ইঞ্জিন ও টায়ার আমদানি করে, সেগুলোর ওপর থাকা শুল্ক আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি জাপানের তৈরি যাত্রীবাহী গাড়িগুলো ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের মতোই সমান সুবিধা পাবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে জাপানে রপ্তানি হওয়া পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের ওপর থেকেও সব শুল্ক তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে এলডিসি উত্তরণের পরও জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যেন অন্য কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে গিয়ে কোনো ধরনের ক্ষতিকর বা অসুবিধাজনক শর্তে জড়িয়ে না পড়ে, সেই ঝুঁকি কমানোর কথা মাথায় রেখেই জাপান সরকার বাংলাদেশকে এই চুক্তির খসড়া তৈরিতে সাহায্য করেছে।

কোন কোন খাতে শুল্ক কমবে কিংবা কোন কোন দেশীয় পণ্যকে সুরক্ষার আওতায় রাখা দরকার—কেবল সেসব আলোচনার মধ্যেই জাপান সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিটি ধারার অর্থনৈতিক প্রভাব ও সম্ভাব্য ঝুঁকি কী হতে পারে, তা-ও বিস্তারিত তুলে ধরেছে জাপান। পাশাপাশি এই চুক্তি বাস্তবায়নে দেশের ভেতরে কেমন আইনি কাঠামো লাগবে, তারও একটি রূপরেখা তারা দিয়ে দিয়েছে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ‘চীন সবসময় নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই বিভিন্ন অর্থনৈতিক চুক্তি তৈরি করবে।’

জাপানের আগে থেকে সিপিটিপিপি বা কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স–প্যাসিফিক পার্টনারশিপের মতো বড় বড় অর্থনৈতিক চুক্তি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জাপান একদিকে বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করতে ও তাদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোড়ালো করতে চায়, অন্যদিকে এই অঞ্চলে চীনের একক প্রভাব কমিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়।

এআই বিনিয়োগে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ , শ্রমবাজারে ‘সুনামির’ সতর্কতা আইএমএফ প্রধানের

এআই বিনিয়োগে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ , শ্রমবাজারে ‘সুনামির’ সতর্কতা আইএমএফ প্রধানের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগের কারণে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে রয়েছে। এ বিনিয়োগ এশিয়ার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে। তবে একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, করব্যবস্থা ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

একটি চীনা কফি চেইনের পেছনে কেন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করল আবুধাবি

একটি চীনা কফি চেইনের পেছনে কেন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করল আবুধাবি

চীনের জনপ্রিয় কফি চেইন লাকিন কফিতে (Luckin Coffee) প্রায় ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে আবুধাবি। গত সেপ্টেম্বরে কোম্পানিটির অংশীদারত্ব কেনার এই বিনিয়োগ শুধু কফি ব্যবসায় অংশ নেওয়াই নয়, বরং এর মাধ্যমে চীনের ভোক্তা অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনায় দীর্ঘমেয়াদি বাজি ধরেছে…

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা—তেলের দাম বাড়ল ৫ শতাংশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা—তেলের দাম বাড়ল ৫ শতাংশ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বন্ড ও শেয়ারবাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ দেখা দিয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

আজকের রাশিফল: পেট পাতলা স্বভাব বিপদে ফেলবে, অতিরিক্ত তৈল মর্দনে নিজেই পিছলে পড়বেন

চলতি অধিবেশনেই বাংলাদেশ সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি পাসের উদ্যোগ, কার্যকর আগামী বছরের প্রথমার্ধে

প্রকাশ: ০৮:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা অর্থনৈতিক উন্নতির ওপর ভর করে বাংলাদেশের আগামী মাসের শেষ দিকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এলডিসি সুবিধা উঠে গেলে উন্নত দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আগের মতো আর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে না। তবে জাপানের সঙ্গে এই অর্থনৈতিক চুক্তি কার্যকর হলে, এলডিসি উত্তরণের পর যেসব নতুন শুল্ক আরোপ হবে, সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই সামলে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দেশের মধ্যে এই অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে দুই দেশের পার্লামেন্টে এটি অনুমোদন পাওয়া সহ ভেতরের সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে পরস্পরকে জানাতে হবে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের মধ্যেই চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে পারে।

চুক্তিটি কার্যকর হলে বাংলাদেশ জাপান থেকে যেসব গাড়ির ইঞ্জিন ও টায়ার আমদানি করে, সেগুলোর ওপর থাকা শুল্ক আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি জাপানের তৈরি যাত্রীবাহী গাড়িগুলো ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের মতোই সমান সুবিধা পাবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে জাপানে রপ্তানি হওয়া পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের ওপর থেকেও সব শুল্ক তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে এলডিসি উত্তরণের পরও জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যেন অন্য কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে গিয়ে কোনো ধরনের ক্ষতিকর বা অসুবিধাজনক শর্তে জড়িয়ে না পড়ে, সেই ঝুঁকি কমানোর কথা মাথায় রেখেই জাপান সরকার বাংলাদেশকে এই চুক্তির খসড়া তৈরিতে সাহায্য করেছে।

কোন কোন খাতে শুল্ক কমবে কিংবা কোন কোন দেশীয় পণ্যকে সুরক্ষার আওতায় রাখা দরকার—কেবল সেসব আলোচনার মধ্যেই জাপান সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিটি ধারার অর্থনৈতিক প্রভাব ও সম্ভাব্য ঝুঁকি কী হতে পারে, তা-ও বিস্তারিত তুলে ধরেছে জাপান। পাশাপাশি এই চুক্তি বাস্তবায়নে দেশের ভেতরে কেমন আইনি কাঠামো লাগবে, তারও একটি রূপরেখা তারা দিয়ে দিয়েছে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ‘চীন সবসময় নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই বিভিন্ন অর্থনৈতিক চুক্তি তৈরি করবে।’

জাপানের আগে থেকে সিপিটিপিপি বা কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স–প্যাসিফিক পার্টনারশিপের মতো বড় বড় অর্থনৈতিক চুক্তি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জাপান একদিকে বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করতে ও তাদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোড়ালো করতে চায়, অন্যদিকে এই অঞ্চলে চীনের একক প্রভাব কমিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়।

এআই বিনিয়োগে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ , শ্রমবাজারে ‘সুনামির’ সতর্কতা আইএমএফ প্রধানের

এআই বিনিয়োগে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ , শ্রমবাজারে ‘সুনামির’ সতর্কতা আইএমএফ প্রধানের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগের কারণে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে রয়েছে। এ বিনিয়োগ এশিয়ার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে। তবে একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, করব্যবস্থা ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

একটি চীনা কফি চেইনের পেছনে কেন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করল আবুধাবি

একটি চীনা কফি চেইনের পেছনে কেন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করল আবুধাবি

চীনের জনপ্রিয় কফি চেইন লাকিন কফিতে (Luckin Coffee) প্রায় ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে আবুধাবি। গত সেপ্টেম্বরে কোম্পানিটির অংশীদারত্ব কেনার এই বিনিয়োগ শুধু কফি ব্যবসায় অংশ নেওয়াই নয়, বরং এর মাধ্যমে চীনের ভোক্তা অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনায় দীর্ঘমেয়াদি বাজি ধরেছে…

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা—তেলের দাম বাড়ল ৫ শতাংশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা—তেলের দাম বাড়ল ৫ শতাংশ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বন্ড ও শেয়ারবাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ দেখা দিয়েছে।