আজ শনিবার ঠাকুরগাঁওয়ের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক মো. আব্দুল হাই।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হন ওই নারী।
মামলার আসামি শুকলাল (৩২) গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ অক্টোবর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ওই নারী মৃত সন্তান প্রসব করেন। পরে ২৬ অক্টোবর আদালতের অনুমতি নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকের মাধ্যমে নবজাতকের দেহ থেকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে জানান, নবজাতকের সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে ভুক্তভোগী নারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ পরীক্ষার মাধ্যমে নবজাতকের জৈবিক পিতৃত্ব নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
উপপরিদর্শক মো. আব্দুল হাই বলেন, ‘নবজাতকের জৈবিক পিতৃত্ব নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন। আদালতের অনুমতি পেলে নমুনা সংগ্রহের পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দৈনিক টার্গেট 





















