এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। তাঁদের বিক্ষোভের মুখে আশপাশের ৮ থেকে ১০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরের চন্দ্রা ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা, সফিপুর, কোনাবাড়ী ও মৌচাক, নাওজোড় ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকালে শ্রমিকেরা নিজ নিজ কারখানায় কাজে যোগ দেন। পরে বিভিন্ন কারখানা থেকে বের হয়ে তাঁরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে শ্রমিকদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের ৮ থেকে ১০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর কয়েক হাজার শ্রমিক মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ, কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, মৌচাক ও সফিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করে আসছেন। এর মধ্যে শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপরও বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।
তাঁরা আরও জানান, গতকাল দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। রাতে তাঁরা মহাসড়ক ছেড়ে দিলেও রোববার সকাল থেকে আবারও সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, ‘শ্রমিকেরা আজও সকাল থেকে মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।’

দৈনিক টার্গেট 




















