পলো দিয়ে মাছ ধরার ধুম

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:২০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল ভোরে উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের তরা, মির্জাপুর ও রাথুরা চকের জলাশয়ে শতাধিক শৌখিন মৎস্যশিকারি পলো দিয়ে মাছ শিকারে অংশ নেন। একই দিন উপজেলার ইছামতী শাখা নদীতেও বসে পলো বাইচের আসর। উথুলী ইউনিয়নের বারাদিয়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে করজনা সেতু এলাকা পেরিয়ে ঘিওরের ঠাকুরকান্দি গ্রামের কাছে গিয়ে তা শেষ হয়। প্রায় তিন কিলোমিটার নদীপথের এ আয়োজন। এতে অংশ নেন অন্তত ৩০০ মৎস্যশিকারি। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার শোলধারা ও নয়াচর এলাকার জলাশয়েও চলে মাছ শিকার।

বানিয়াজুরীর নূরুল করিম বাবু বলেন, ‘পলো বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকারের উৎসব। এ আয়োজনকে ঘিরে বিভিন্ন গ্রামের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়। দল বেঁধে মাছ ধরার মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।’

নকীব বাড়ি গ্রামের আজিজ মিয়া বলেন, শুক্রবার ভোরে রাথুরা চকের জলাশয়ে পলো নিয়ে বাইচে গিয়েছিলাম। দুটি কার্ফু ও একটি বোয়াল মাছ পেয়েছি।

পুরো অক্টোবর মাস ঘিওরে বিভিন্ন জলাশয় ও নদীতে পলো দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন চলে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সবচেয়ে বেশি মৎসশিকারির ভিড় হয়। পলো বাইচের খবর ছড়িয়ে দিতে কোথাও হাটবাজারে ঢাকঢোল পেটানো হয়, কোথাও চলে মাইকিং। খবর পেয়ে পলো হাতে নির্ধারিত স্থানে হাজির হন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। মাছ ধরার পাশাপাশি বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়া এবং পুরোনো ঐতিহ্যের অংশ হতে পেরে উচ্ছ্বসিত থাকেন অংশগ্রহণকারীরা।

মাছশিকারি ইসলাম খান বলেন, ‘পলো দিয়ে মাছ ধরার আনন্দ অন্য রকম। এখানে মাছ পাওয়ার পাশাপাশি বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়, সবাই মিলে আনন্দ করা যায়। এই ঐতিহ্য যেন হারিয়ে না যায়।’

আরেক মাছশিকারি মাহফুজ ভূঁইয়া বলেন, ‘মাছ কম পেলেও পলো নিয়ে জলাশয়ে নামার আনন্দ কমে না। কে বড় মাছ পেল, তা নিয়ে সবার মধ্যে আনন্দ চলে। প্রতিবছর এমন আয়োজনের অপেক্ষায় থাকি।’

ঘিওরের প্রবীণ বাসিন্দা বারেক মিয়া বলেন, ‘আগে জলাশয়ে দেশি মাছের প্রাচুর্য ছিল। পলো নিয়ে নামলে অনেকে বড় মাছ পেতেন। বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দল বেঁধে আসতেন। এখন অনেক জায়গায় মাছ কমে গেছে। তবু মানুষ ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।’

ঘিওরের প্রাকৃতিক কৃষিকেন্দ্রের পরিচালক দেলোয়ার জাহান বলেন, ‘পলো বাইচ আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির অংশ। এ আয়োজন টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি জলাশয় ও দেশি মাছ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

একসময় কার্তিক থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত পানি কমে এলে নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে পলো দিয়ে মাছ ধরার ধুম পড়ত। মানিকগঞ্জের ইছামতী, ধলেশ্বরী, কালীগঙ্গা, গাজীখালী ও কান্তাবতী নদীতেও এমন আয়োজন হতো। এখনো এ চর্চা রয়েছে, তবে আগের তুলনায় অনেক কম।

বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিলটু বলেন, পলো দিয়ে মাছ ধরা শুধু মাছ শিকারের আয়োজন নয়, এটি গ্রামীণ মানুষের মিলনমেলা ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা লোকজ সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। জলাশয় ও দেশি মাছ রক্ষা করা গেলে টিকে থাকবে এই ঐতিহ্যও।

বেসরকারি কৃষি, পরিবেশ ও মৎস্য গবেষণা সংস্থা বারসিকের মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল রায় বলেন, পলো বাইচের ঐতিহ্য ধরে রাখতে জলাশয় ও দেশি মাছের প্রজননক্ষেত্র রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কারেন্ট জালের ব্যবহার, পোনা মাছ ধরা, পানি সেচে মাছ নিধন ও বিষপ্রয়োগের কারণে দেশি মাছের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য কমছে।

বড়টিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল আলম রওশন বলেন, ‘বহুদিন ধরে চলে আসা পলো বাইচকে ঘিরে আশপাশের গ্রামের মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দেয়। কিন্তু কারেন্ট জালের ব্যবহার, পোনা মাছ ধরা, জলাশয় সেচে মাছ নিধন ও বিষপ্রয়োগের কারণে মাছের সংখ্যা ও প্রজাতির বৈচিত্র্য কমে যাচ্ছে। এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি মৎস্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা, মানিকগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরা উৎসব

ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা, মানিকগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরা উৎসব

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে পলো হাতে নদী ও জলাশয়ে নেমে পড়েন নানা বয়সী মানুষ। কারও পলোতে ধরা পড়ে বোয়াল, শোল কিংবা রুই, কেউ ফেরেন খালি হাতে। এখানেই বন্ধু-স্বজনদের মিলনমেলায় তৈরি হয় উৎসবের আবহ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ শিকারের এই সংস্কৃতি।

বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল

বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল

ধর্মের পরিচয় আলাদা, কিন্তু আনন্দের বন্ধন এক। দুর্গাপ্রতিমার বিদায়বেলায় কারও চোখে অশ্রু, কেউ দিচ্ছে উলুধ্বনি। এই আবেগের রেশ কাটতে না কাটতেই নাগরদোলা, মিষ্টির ঘ্রাণ আর মানুষের কোলাহলে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনে…

গাছের সঙ্গে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ

গাছের সঙ্গে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কড়ইগাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. সবুজের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

পলো দিয়ে মাছ ধরার ধুম

প্রকাশ: ০৩:২০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

গতকাল ভোরে উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের তরা, মির্জাপুর ও রাথুরা চকের জলাশয়ে শতাধিক শৌখিন মৎস্যশিকারি পলো দিয়ে মাছ শিকারে অংশ নেন। একই দিন উপজেলার ইছামতী শাখা নদীতেও বসে পলো বাইচের আসর। উথুলী ইউনিয়নের বারাদিয়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে করজনা সেতু এলাকা পেরিয়ে ঘিওরের ঠাকুরকান্দি গ্রামের কাছে গিয়ে তা শেষ হয়। প্রায় তিন কিলোমিটার নদীপথের এ আয়োজন। এতে অংশ নেন অন্তত ৩০০ মৎস্যশিকারি। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার শোলধারা ও নয়াচর এলাকার জলাশয়েও চলে মাছ শিকার।

বানিয়াজুরীর নূরুল করিম বাবু বলেন, ‘পলো বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকারের উৎসব। এ আয়োজনকে ঘিরে বিভিন্ন গ্রামের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়। দল বেঁধে মাছ ধরার মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।’

নকীব বাড়ি গ্রামের আজিজ মিয়া বলেন, শুক্রবার ভোরে রাথুরা চকের জলাশয়ে পলো নিয়ে বাইচে গিয়েছিলাম। দুটি কার্ফু ও একটি বোয়াল মাছ পেয়েছি।

পুরো অক্টোবর মাস ঘিওরে বিভিন্ন জলাশয় ও নদীতে পলো দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন চলে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সবচেয়ে বেশি মৎসশিকারির ভিড় হয়। পলো বাইচের খবর ছড়িয়ে দিতে কোথাও হাটবাজারে ঢাকঢোল পেটানো হয়, কোথাও চলে মাইকিং। খবর পেয়ে পলো হাতে নির্ধারিত স্থানে হাজির হন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। মাছ ধরার পাশাপাশি বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়া এবং পুরোনো ঐতিহ্যের অংশ হতে পেরে উচ্ছ্বসিত থাকেন অংশগ্রহণকারীরা।

মাছশিকারি ইসলাম খান বলেন, ‘পলো দিয়ে মাছ ধরার আনন্দ অন্য রকম। এখানে মাছ পাওয়ার পাশাপাশি বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়, সবাই মিলে আনন্দ করা যায়। এই ঐতিহ্য যেন হারিয়ে না যায়।’

আরেক মাছশিকারি মাহফুজ ভূঁইয়া বলেন, ‘মাছ কম পেলেও পলো নিয়ে জলাশয়ে নামার আনন্দ কমে না। কে বড় মাছ পেল, তা নিয়ে সবার মধ্যে আনন্দ চলে। প্রতিবছর এমন আয়োজনের অপেক্ষায় থাকি।’

ঘিওরের প্রবীণ বাসিন্দা বারেক মিয়া বলেন, ‘আগে জলাশয়ে দেশি মাছের প্রাচুর্য ছিল। পলো নিয়ে নামলে অনেকে বড় মাছ পেতেন। বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দল বেঁধে আসতেন। এখন অনেক জায়গায় মাছ কমে গেছে। তবু মানুষ ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।’

ঘিওরের প্রাকৃতিক কৃষিকেন্দ্রের পরিচালক দেলোয়ার জাহান বলেন, ‘পলো বাইচ আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির অংশ। এ আয়োজন টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি জলাশয় ও দেশি মাছ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

একসময় কার্তিক থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত পানি কমে এলে নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে পলো দিয়ে মাছ ধরার ধুম পড়ত। মানিকগঞ্জের ইছামতী, ধলেশ্বরী, কালীগঙ্গা, গাজীখালী ও কান্তাবতী নদীতেও এমন আয়োজন হতো। এখনো এ চর্চা রয়েছে, তবে আগের তুলনায় অনেক কম।

বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিলটু বলেন, পলো দিয়ে মাছ ধরা শুধু মাছ শিকারের আয়োজন নয়, এটি গ্রামীণ মানুষের মিলনমেলা ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা লোকজ সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। জলাশয় ও দেশি মাছ রক্ষা করা গেলে টিকে থাকবে এই ঐতিহ্যও।

বেসরকারি কৃষি, পরিবেশ ও মৎস্য গবেষণা সংস্থা বারসিকের মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল রায় বলেন, পলো বাইচের ঐতিহ্য ধরে রাখতে জলাশয় ও দেশি মাছের প্রজননক্ষেত্র রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কারেন্ট জালের ব্যবহার, পোনা মাছ ধরা, পানি সেচে মাছ নিধন ও বিষপ্রয়োগের কারণে দেশি মাছের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য কমছে।

বড়টিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল আলম রওশন বলেন, ‘বহুদিন ধরে চলে আসা পলো বাইচকে ঘিরে আশপাশের গ্রামের মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দেয়। কিন্তু কারেন্ট জালের ব্যবহার, পোনা মাছ ধরা, জলাশয় সেচে মাছ নিধন ও বিষপ্রয়োগের কারণে মাছের সংখ্যা ও প্রজাতির বৈচিত্র্য কমে যাচ্ছে। এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি মৎস্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা, মানিকগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরা উৎসব

ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা, মানিকগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরা উৎসব

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে পলো হাতে নদী ও জলাশয়ে নেমে পড়েন নানা বয়সী মানুষ। কারও পলোতে ধরা পড়ে বোয়াল, শোল কিংবা রুই, কেউ ফেরেন খালি হাতে। এখানেই বন্ধু-স্বজনদের মিলনমেলায় তৈরি হয় উৎসবের আবহ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ শিকারের এই সংস্কৃতি।

বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল

বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল

ধর্মের পরিচয় আলাদা, কিন্তু আনন্দের বন্ধন এক। দুর্গাপ্রতিমার বিদায়বেলায় কারও চোখে অশ্রু, কেউ দিচ্ছে উলুধ্বনি। এই আবেগের রেশ কাটতে না কাটতেই নাগরদোলা, মিষ্টির ঘ্রাণ আর মানুষের কোলাহলে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনে…

গাছের সঙ্গে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ

গাছের সঙ্গে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কড়ইগাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. সবুজের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।