ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে নেত্রকোনা, বাগেরহাট, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার নারী ও পুরুষ রয়েছেন।
দেশে ফেরার পর তাদের গ্রহণ করে রাইটস যশোর, জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার এবং বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি। সংস্থাগুলো তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর এসব বাংলাদেশি ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে আইনি জটিলতার কারণে তাদের তামিলনাড়ুর বিভিন্ন হোমে রাখা হয়। সেখানে কেউ নয় মাস, আবার কেউ দুই বছর পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়।
দেশে ফেরা ব্যক্তিদের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে যাওয়ার পর তারা পুলিশের হাতে আটক হন। এ ছাড়া ভালো চাকরির আশ্বাস কিংবা প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে নারী ও কিশোরীদের ভারতে পাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মানবপাচার প্রতিরোধে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংগঠন কাজ করলেও পাচার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। পাচারের শিকার অনেককে ভারতে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া এবং তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
রাইটস যশোরের তথ্য ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা তৌফিকুজ্জামান বলেন, ভারতীয় পুলিশ ৪৭ জন বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে। তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এ নিয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে মোট ৫৮ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান বলেন, ভারতীয় পুলিশ বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৪৭ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের গ্রহণ করেছে।
পানিসাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি ও পলিশেড নির্মাণের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি, ফল ও ফুল উৎপাদনের কথা ছিল। উদ্দেশ্য ছিল আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষকের উৎপাদন বাড়ানো এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করা। তবে বগুড়ায় সরকারি এই প্রকল্পের পাঁচটি পলিশেড দুই বছর ধরে পড়ে আছে অচল অবস্থায়।
চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচারে শিশুদের ব্যবহার করছে সংঘবদ্ধ মাদকচক্র। দারিদ্র্য ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের পেটের ভেতর ইয়াবার ক্যাপসুল ঢুকিয়ে পাচার করা হচ্ছে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায়। সম্প্রতি আনোয়ারায় দুই শিশুর পেট থেকে ৬ হাজার ৬১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় আবারও সামনে এসেছে শিশুদের ‘মানবঢাল’…
সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত। তাতে জমে আছে পানি। সড়কে একপাশে বিকল হয়ে আছে একটি কাভার্ড ভ্যান। আরেক পাশে বিপরীত দিক থেকে যান চলাচল করছে। সম্প্রতি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ফেলনা এলাকায় চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম সড়কে এ চিত্র দেখা যায়।
দৈনিক টার্গেট 




















