রাবির পরীক্ষার খাতায় নাম-রোল থাকবে না, চালু হচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা, ফলাফলে স্বচ্ছতা আনা এবং যেকোনো ধরনের পক্ষপাত দূর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকে কোডিং পদ্ধতি চালু করা হবে।’

মামুনুর রশীদ বলেন, ‘পদ্ধতিটি বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে আগামীকাল মঙ্গলবার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের সঙ্গে একটি সভা হবে। সভায় কোডিং পদ্ধতি চালু ও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

নতুন ব্যবস্থার কাজের বর্ণনা দিয়ে উপ-উপাচার্য বলেন, ‘পরীক্ষার খাতার মলাটে দুটি পৃথক অংশ থাকবে। একটি অংশে পরীক্ষার্থীর নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে। অন্য অংশে থাকবে একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর। পরীক্ষকের কাছে খাতা হস্তান্তরের আগেই নাম-রোলসহ ব্যক্তিগত তথ্যের অংশটি আলাদা করে রাখা হবে। পরীক্ষকের কাছে পৌঁছাবে শুধু কোড নম্বরযুক্ত অংশ। ফলে খাতা মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক কোনোভাবেই পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারবেন না।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুনুর রশীদ জানান, ‘মূল্যায়ন শেষে গোপন কোডের সঙ্গে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত তথ্যের অংশ মিলিয়ে নম্বরপত্র প্রস্তুত করা হবে। এরপর সেই ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। এ পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সম্ভাব্য পক্ষপাতের সুযোগ কমবে এবং শিক্ষার্থীদের মেধার আরও নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে।’

মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। ৪০ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৫৭ শিশু ভর্তি রয়েছে। শয্যাসংকটে একই বিছানায় একাধিক শিশু ও তাদের মায়েদের থাকতে হচ্ছে, অনেকে থাকছেন মেঝেতে। জনবলসংকটে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনে অবস্থিত পাঁচটি দোকান দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে আসছিল।

সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসহায় পরিবারগুলোর বসবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

শ্যালিকার সঙ্গে সম্পর্কের জের, স্ত্রী হত্যায় প্রকৌশলীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাবির পরীক্ষার খাতায় নাম-রোল থাকবে না, চালু হচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’

প্রকাশ: ০৭:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা, ফলাফলে স্বচ্ছতা আনা এবং যেকোনো ধরনের পক্ষপাত দূর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকে কোডিং পদ্ধতি চালু করা হবে।’

মামুনুর রশীদ বলেন, ‘পদ্ধতিটি বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে আগামীকাল মঙ্গলবার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের সঙ্গে একটি সভা হবে। সভায় কোডিং পদ্ধতি চালু ও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

নতুন ব্যবস্থার কাজের বর্ণনা দিয়ে উপ-উপাচার্য বলেন, ‘পরীক্ষার খাতার মলাটে দুটি পৃথক অংশ থাকবে। একটি অংশে পরীক্ষার্থীর নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে। অন্য অংশে থাকবে একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর। পরীক্ষকের কাছে খাতা হস্তান্তরের আগেই নাম-রোলসহ ব্যক্তিগত তথ্যের অংশটি আলাদা করে রাখা হবে। পরীক্ষকের কাছে পৌঁছাবে শুধু কোড নম্বরযুক্ত অংশ। ফলে খাতা মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক কোনোভাবেই পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারবেন না।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুনুর রশীদ জানান, ‘মূল্যায়ন শেষে গোপন কোডের সঙ্গে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত তথ্যের অংশ মিলিয়ে নম্বরপত্র প্রস্তুত করা হবে। এরপর সেই ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। এ পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সম্ভাব্য পক্ষপাতের সুযোগ কমবে এবং শিক্ষার্থীদের মেধার আরও নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে।’

মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। ৪০ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৫৭ শিশু ভর্তি রয়েছে। শয্যাসংকটে একই বিছানায় একাধিক শিশু ও তাদের মায়েদের থাকতে হচ্ছে, অনেকে থাকছেন মেঝেতে। জনবলসংকটে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনে অবস্থিত পাঁচটি দোকান দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে আসছিল।

সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসহায় পরিবারগুলোর বসবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।