গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ ওই যুবকের ছবি প্রকাশ করে তথ্য ও সন্ধান চায়। আজ বুধবার সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি মুরাদ হোসেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যেসব তথ্য এসেছে, তাতে মনে হচ্ছে সন্দেহভাজন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন হতে পারে।’
২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১টার দিকে নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ থেকে আউয়াল শফীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বোয়ালী গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে এবং সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও ঘটনাস্থলের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে সড়কের ওপর আউয়াল শফীর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা পুলিশকে খবর দেন। তাঁর মাথার কয়েকটি অংশ সড়কে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। পাশে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও পড়ে ছিল।
ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে দ্রুতগতির কোনো অজ্ঞাত যানবাহনের চাপায় তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করেছিল পুলিশ। তবে নিহতের পরিবার ও স্বজনেরা শুরু থেকেই এটিকে দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছেন।
নিহতের চাচাতো ভাই জিয়া হাবিব, মাওলানা ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আউয়াল শফীর গলা ও মাথার ক্ষতবিক্ষত অবস্থা দেখে তাঁদের কাছে ঘটনাটি স্বাভাবিক সড়ক দুর্ঘটনা বলে মনে হয়নি। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
ঘটনার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ঢাকা থেকে এসে সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গেও কথা বলেন।
পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর আউয়াল শফীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। একই দিন নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সখীপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। ঘটনার সময় ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েকজন চালক ও যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ বিষয়ে ওসি মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ‘তদন্ত হচ্ছে সিঁড়ির মতো। এক ধাপ শেষ হলে আরেক ধাপ সামনে আসে। এখন পর্যন্ত তদন্তের যে ধাপে আমরা আছি, ছবির যুবকটিকে পাওয়া গেলে তার কাছ থেকে পরবর্তী কোনো তথ্য পাওয়া যেতে পারে।’
তদন্তের স্বার্থে এর বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার রাতে বিলপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন দুর্বৃত্ত দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হানিফকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ধানের চারা রোপণের সময় স্বপ্ন ছিল ফসল ঘরে তুলবেন। সেই ফসল বিক্রি করে চলবে সংসার, শোধ হবে ধারদেনা। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে এখন তলিয়ে আছে তাঁদের ধানখেত। ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কি না, সেই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে রামগড়ের কৃষকদের। গত সপ্তাহের টানা বৃষ্টির পর প্রায় এক সপ্তাহ ধরে রামগড় পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার শত
দৈনিক টার্গেট 




















