স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে ২০-২৫ জন তাঁকে কুপিয়ে জখম করে। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাগনে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থিতা নিয়ে ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল মামার। এর আগেও কয়েকবার মোবারক তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তাঁর ওপর হামলা করে। আড়াইহাজার থেকে মোবারক ও তার সন্ত্রাসীরা এসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাতে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।’ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

দৈনিক টার্গেট 


























