এশিয়ার সেরা উদীয়মান গন্তব্য ভিয়েতনামের তা শুয়া

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৩৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরের এই দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছাতে সময় লাগে বেশ অনেকটা। কিন্তু পাহাড়ি সর্পিল পথ অতিক্রম করে তা শুয়ায় পৌঁছালে রাস্তার সব ক্লান্তি মুহূর্তেই উধাও হয়ে যায় পর্যটকদের। জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই সময়টায় তা শুয়ায় সুন্দর তুলতুলে মেঘের দেখা মেলে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে মেঘের সমুদ্রে সূর্যের আলো পড়ে যে মায়াবী রূপ তৈরি হয়, তা দেখতেই দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকেরা সেখানে ক্লউড হান্টিং বা মেঘ-শিকারে যায়।

শুধু মেঘ নয়, তা শুয়ার প্রতিটি বাঁকেই লুকিয়ে আছে প্রকৃতির এক একটি বিস্ময়। অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয়দের জন্য এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো ডাইনোসরস ব্যাকবোন। ডাইনোসরের পিঠের মতো দেখতে সরু, আঁকাবাঁকা ও খাড়া পাহাড়ি পথ ধরে নিচে শত শত মিটার গভীর উপত্যকার দৃশ্য দেখে রোমাঞ্চপ্রেমীদের গা শিউরে ওঠে। আর যাঁরা সূর্যাস্ত দেখতে ভালোবাসেন, তাঁদের গন্তব্য হওয়া উচিত তিন কিলোমিটার দূরের উইন্ডি পিক বা দিন জিউ। যেখানে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলের রক্তিম আলোয় মেঘের রূপ বদল দেখা যায় এক পরম প্রশান্তিতে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে এ অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা থাকে। সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়টি এ অঞ্চল ট্র্যাকিংয়ের জন্য উপযুক্ত ও নিরাপদ।

একটু উঁচুতে গেলে মিলবে ২ হাজার ১২০ মিটার উঁচুতে থাকা টার্টল হেড রক বা কচ্ছপের মাথার মতো আকৃতির এক অদ্ভুত শিলাখণ্ড। সেখান থেকে পুরো পাহাড়ি উপত্যকার প্যানারোমিক ভিউ চোখে পড়ে। আর প্রকৃতিপ্রেমীদের মন ভরাবে প্রায় ১৭ হাজার ৬৫০ হেক্টর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত তা শুয়ার প্রাচীন বনাঞ্চল।

সূত্র: ভিয়েতনাম ট্যুরিজম, এন ভলস

চাকরি ছেড়ে জার্মান তরুণীর একা বিশ্বভ্রমণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে

চাকরি ছেড়ে জার্মান তরুণীর একা বিশ্বভ্রমণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে

সঞ্চয় নেই, শোধ করতে হচ্ছে শিক্ষাঋণও—তবু নিজেকে খুঁজতে বিশ্বভ্রমণে বেরিয়ে পড়েছেন ২৭ বছর বয়সী এক জার্মান তরুণী। জীবনের একঘেয়েমি ও মানসিক অবসাদ কাটিয়ে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।

ভ্রমণের জন্য চাকরি ছেড়ে অনুতপ্ত তরুণীকে কিছু পরামর্শ

ভ্রমণের জন্য চাকরি ছেড়ে অনুতপ্ত তরুণীকে কিছু পরামর্শ

চাকরির একঘেয়েমি, মানসিক ক্লান্তি আর ব্যস্ত জীবনের চাপ থেকে মুক্তি পেতে চাকরি ছেড়ে বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ২৮ বছর বয়সী এক তরুণী। পরিকল্পনা ছিল, ছয় মাস ধরে একা একা ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে দেখবেন, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

মাটির দেয়ালে সাঁওতাল জীবনের গল্প

মাটির দেয়ালে সাঁওতাল জীবনের গল্প

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে রাঙামাটিয়া গ্রাম। এখানে ঢুকতেই চোখে পড়ে মাটির ঘরের সারি। তবে এসব ঘর আর দশটি গ্রামের মতো সাদামাটা নয়। কোনো দেয়ালে শিকারি জীবনের দৃশ্য, কোথাও সাঁওতাল তরুণ-তরুণীর নাচ-গান…

জনপ্রিয় টার্গেট

এশিয়ার সেরা উদীয়মান গন্তব্য ভিয়েতনামের তা শুয়া

প্রকাশ: ০৯:৩৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরের এই দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছাতে সময় লাগে বেশ অনেকটা। কিন্তু পাহাড়ি সর্পিল পথ অতিক্রম করে তা শুয়ায় পৌঁছালে রাস্তার সব ক্লান্তি মুহূর্তেই উধাও হয়ে যায় পর্যটকদের। জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই সময়টায় তা শুয়ায় সুন্দর তুলতুলে মেঘের দেখা মেলে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে মেঘের সমুদ্রে সূর্যের আলো পড়ে যে মায়াবী রূপ তৈরি হয়, তা দেখতেই দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকেরা সেখানে ক্লউড হান্টিং বা মেঘ-শিকারে যায়।

শুধু মেঘ নয়, তা শুয়ার প্রতিটি বাঁকেই লুকিয়ে আছে প্রকৃতির এক একটি বিস্ময়। অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয়দের জন্য এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো ডাইনোসরস ব্যাকবোন। ডাইনোসরের পিঠের মতো দেখতে সরু, আঁকাবাঁকা ও খাড়া পাহাড়ি পথ ধরে নিচে শত শত মিটার গভীর উপত্যকার দৃশ্য দেখে রোমাঞ্চপ্রেমীদের গা শিউরে ওঠে। আর যাঁরা সূর্যাস্ত দেখতে ভালোবাসেন, তাঁদের গন্তব্য হওয়া উচিত তিন কিলোমিটার দূরের উইন্ডি পিক বা দিন জিউ। যেখানে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলের রক্তিম আলোয় মেঘের রূপ বদল দেখা যায় এক পরম প্রশান্তিতে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে এ অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা থাকে। সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়টি এ অঞ্চল ট্র্যাকিংয়ের জন্য উপযুক্ত ও নিরাপদ।

একটু উঁচুতে গেলে মিলবে ২ হাজার ১২০ মিটার উঁচুতে থাকা টার্টল হেড রক বা কচ্ছপের মাথার মতো আকৃতির এক অদ্ভুত শিলাখণ্ড। সেখান থেকে পুরো পাহাড়ি উপত্যকার প্যানারোমিক ভিউ চোখে পড়ে। আর প্রকৃতিপ্রেমীদের মন ভরাবে প্রায় ১৭ হাজার ৬৫০ হেক্টর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত তা শুয়ার প্রাচীন বনাঞ্চল।

সূত্র: ভিয়েতনাম ট্যুরিজম, এন ভলস

চাকরি ছেড়ে জার্মান তরুণীর একা বিশ্বভ্রমণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে

চাকরি ছেড়ে জার্মান তরুণীর একা বিশ্বভ্রমণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে

সঞ্চয় নেই, শোধ করতে হচ্ছে শিক্ষাঋণও—তবু নিজেকে খুঁজতে বিশ্বভ্রমণে বেরিয়ে পড়েছেন ২৭ বছর বয়সী এক জার্মান তরুণী। জীবনের একঘেয়েমি ও মানসিক অবসাদ কাটিয়ে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।

ভ্রমণের জন্য চাকরি ছেড়ে অনুতপ্ত তরুণীকে কিছু পরামর্শ

ভ্রমণের জন্য চাকরি ছেড়ে অনুতপ্ত তরুণীকে কিছু পরামর্শ

চাকরির একঘেয়েমি, মানসিক ক্লান্তি আর ব্যস্ত জীবনের চাপ থেকে মুক্তি পেতে চাকরি ছেড়ে বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ২৮ বছর বয়সী এক তরুণী। পরিকল্পনা ছিল, ছয় মাস ধরে একা একা ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে দেখবেন, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

মাটির দেয়ালে সাঁওতাল জীবনের গল্প

মাটির দেয়ালে সাঁওতাল জীবনের গল্প

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে রাঙামাটিয়া গ্রাম। এখানে ঢুকতেই চোখে পড়ে মাটির ঘরের সারি। তবে এসব ঘর আর দশটি গ্রামের মতো সাদামাটা নয়। কোনো দেয়ালে শিকারি জীবনের দৃশ্য, কোথাও সাঁওতাল তরুণ-তরুণীর নাচ-গান…