শ্মশান জুড়ে মোমের আলো, প্রিয়জনদের স্মরণে প্রার্থনা, উলুধ্বনি ও কাঁসরঘণ্টার ধ্বনিতে মুখর ছিল আয়োজন। শ্মশানের সামনে বাহারি খাবারের পসরা সাজিয়ে প্রার্থনা করেন স্বজনেরা। প্রিয়জনদের স্মরণে ঢাকঢোল ও ধর্মীয় গানের সঙ্গে পূজা-অর্চনায় অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের পাশাপাশি দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় নানা উপাচার নিয়ে প্রার্থনা করা হয় এই শ্মশাল দীপালি উৎসবে।
পৌর শহরের কামারপট্টি এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ কর্মকার বলেন, ‘বাবা-মা দুজনকে হারিয়েছি। তাই প্রতিবছর এই দিনে শ্মশানঘাটে এসে তাঁদের স্মরণ করি। তাঁদের জন্য প্রার্থনা করি।’
কলাপাড়া পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সদস্যসচিব দেবাশীষ সিকদার কালা বলেন, আগে পৌর শহরের কলেজ রোড এলাকার শ্মশানে এ অনুষ্ঠান হতো। এখন চিংড়িয়া শ্মশানেও এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উপজেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক সজল সমাদ্দার বলেন, প্রতি বছর কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে হারানো স্বজনদের স্মরণে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ শ্মশানে সমবেত হন। এদিন পরিবারের সবাই মিলে মৃত ব্যক্তিদের নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মরণ করেন।

দৈনিক টার্গেট 
























