মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মানবিক উদ্যোগে আজ মৃত বাবার মুখ দেখলেন মেয়ে। বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুরের মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়কের ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলারের শূন্যরেখার বেলতলায় শেষবারের মতো বাবা-কন্যা কাছাকাছি এলেন। এসময় উভয় দেশের আত্মীয় স্বজনদের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ফেরদৌসী আরও বলেন, ‘বেঁচে থাকা বাবার মুখটা আর দেখা হলো না। আমি যত দিন বাঁচব এই ব্যথা আমাকে বয়ে বেড়াতে হবে। বাবার কাফন পরানো দেহটা দেখে বুকের ভেতর যে কি কষ্ট হচ্ছে তা পৃথিবীর কাউকে বোঝানো সম্ভব নয়। তারা আবার বাবার মৃতদেহ নিয়ে চলে যাবে। হয়তো বাবার কবরটাও আর কোনদিন দেখতে পাব না। তবে শেষবারের মতো বাবার মুখটা দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিজিবি ও বিএসএফ এর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবির মুজিবনগর কোম্পানি সদর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবি’র একটি দল উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ভারতের পক্ষে এএসআই সুনীল কুমার এর নেতৃত্বে বিএসএফ এর একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক টার্গেট 






















