গতকাল সোমবার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর কথা বলে লামিয়াকে রবিউলের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় সালিসে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে সালিস শেষে সবাই চলে গেলে রবিউলের সঙ্গে লামিয়ার আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রবিউল ধারালো অস্ত্র দিয়ে লামিয়ার গলা কেটে পাশের বাড়ির একটি ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে লামিয়ার ছোট ভাই ওবায়দুল মাদবর তাঁকে খুঁজতে গিয়ে ডোবায় পড়ে থাকতে দেখেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে লামিয়ার মৃত্যু হয়।
ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার পর মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অভিযুক্ত রবিউলকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক টার্গেট 
























