তরুণীরা ডুবছে ফ্যাশনেবল মনোক্রমে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত হয়েছে

মনোক্রোম শব্দটি ‘মনো’ অর্থ ‘এক’ ও ‘ক্রোম’ অর্থ ‘রং’ শব্দ দিয়ে তৈরি। এ থেকেই বোঝা যায় যে এক রঙের পোশাককেই মূলত মনোক্রোম পোশাক বলা হচ্ছে এখন। এই ট্রেন্ডে কেউ পুরো পোশাক পরতে পারে একটি রঙের বা একটি শেডের। আবার কেউ চাইলে একই রঙের বিভিন্ন শেডের রংও ব্যবহার করতে পারে। অনেকেই আবার মনোক্রোম বলতে সাদা ও কালোর মিশেলকে বোঝেন। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তা নয়। পোশাকে যেকোনো একটি রঙের ব্যবহারই মূলত মনোক্রোম ফ্যাশন। যেহেতু এটি একরঙা ফ্যাশন তাই যেকোনো রঙের শেড দিয়ে মনোক্রোম ফ্যাশন বানানো সম্ভব।

তরুণীরা যেহেতু ট্রেন্ডি হতে পছন্দ করেন, তাই মনোক্রোম ফ্যাশনের প্রতি তাঁদের ঝোঁকটা বেশি চেখে পড়ে। তবে বয়স্ক বা প্রবীণদেরও এ ট্রেন্ডের প্রতি কমবেশি আগ্রহ যে নেই, তা বলা যায় না।

দেশের অনেক ফ্যাশন হাউস মনোক্রোম ফ্যাশনে পোশাক তৈরি করছে। হাউসগুলো তরুণ, প্রবীণ কিংবা শিশু সবার জন্যই এ ধরনের পোশাক তৈরি করছে। লিনেন, ভিসকস, ডায়মন্ড জর্জেট, ডাবল জর্জেটসহ বিভিন্ন কাপড় এ জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

পোশাকের শেড পরিবর্তন করে একই রং ব্যবহার করা যেতে পারে মনোক্রোম ফ্যাশনের ক্ষেত্রে। আবার শাড়ির ক্ষেত্রে একই রঙের বিভিন্ন শেডের প্যাটার্ন ব্যবহার করা যায় এবং তার মধ্যে একটি শেডের ব্লাউজ পরা যায়। কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি, কানের দুল, মালা, ঘড়ি ও জুতা পরতে হবে।

যারা ট্রেন্ড ফলো করেন তারা নিজেদের পছন্দমতো রঙের বিভিন্ন শেড ব্যবহার করে মনোক্রোম ফ্যাশন ফলো করতে পারেন। তবে গরমের দিন হালকা রঙের বিভিন্ন শেড ব্যবহার করাই ভালো। এতে শরীরের পাশাপাশি চোখেরও আরাম হয় বলা চলে।

ভাদ্রের এই গরমে মাঝেমধ্যে আইসক্রিম খেতে মন চাইতেই পারে। তালের রস বাড়িতে থাকলে তা দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে নিতে পারেন। আপনাদের জন্য তালের আইসক্রিমের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খান মুক্তা।

প্রতিবছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ একটি অচেনা কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে প্রাণ হারান। তার নাম সেপসিস। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও এটি এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এটি শুধু শারীরিক জটিলতা নয়, বরং এটি জীবাণু এবং মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার এক চরম সংঘাতের ফল।

ফুল, প্রজাপতি, মৌমাছি কিংবা সবুজ পাতার সৌন্দর্য—প্রকৃতির এই ছোট ছোট উপাদান এবার জায়গা করে নিচ্ছে নখের সাজে। নেইল আর্টের জগতে এখন আলোচনায় গার্ডেন-ইন্সপায়ারড ম্যানিকিউর। শুধু একটি ফুল এঁকে নখ সাজানো নয়, বরং পুরো বাগানের আবহ তুলে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে এই ধারায়।

জনপ্রিয় টার্গেট

ডেঙ্গু নির্মূলে কার্যকর কর্মপরিকল্পনার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

তরুণীরা ডুবছে ফ্যাশনেবল মনোক্রমে

প্রকাশ: ০২:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মনোক্রোম শব্দটি ‘মনো’ অর্থ ‘এক’ ও ‘ক্রোম’ অর্থ ‘রং’ শব্দ দিয়ে তৈরি। এ থেকেই বোঝা যায় যে এক রঙের পোশাককেই মূলত মনোক্রোম পোশাক বলা হচ্ছে এখন। এই ট্রেন্ডে কেউ পুরো পোশাক পরতে পারে একটি রঙের বা একটি শেডের। আবার কেউ চাইলে একই রঙের বিভিন্ন শেডের রংও ব্যবহার করতে পারে। অনেকেই আবার মনোক্রোম বলতে সাদা ও কালোর মিশেলকে বোঝেন। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তা নয়। পোশাকে যেকোনো একটি রঙের ব্যবহারই মূলত মনোক্রোম ফ্যাশন। যেহেতু এটি একরঙা ফ্যাশন তাই যেকোনো রঙের শেড দিয়ে মনোক্রোম ফ্যাশন বানানো সম্ভব।

তরুণীরা যেহেতু ট্রেন্ডি হতে পছন্দ করেন, তাই মনোক্রোম ফ্যাশনের প্রতি তাঁদের ঝোঁকটা বেশি চেখে পড়ে। তবে বয়স্ক বা প্রবীণদেরও এ ট্রেন্ডের প্রতি কমবেশি আগ্রহ যে নেই, তা বলা যায় না।

দেশের অনেক ফ্যাশন হাউস মনোক্রোম ফ্যাশনে পোশাক তৈরি করছে। হাউসগুলো তরুণ, প্রবীণ কিংবা শিশু সবার জন্যই এ ধরনের পোশাক তৈরি করছে। লিনেন, ভিসকস, ডায়মন্ড জর্জেট, ডাবল জর্জেটসহ বিভিন্ন কাপড় এ জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

পোশাকের শেড পরিবর্তন করে একই রং ব্যবহার করা যেতে পারে মনোক্রোম ফ্যাশনের ক্ষেত্রে। আবার শাড়ির ক্ষেত্রে একই রঙের বিভিন্ন শেডের প্যাটার্ন ব্যবহার করা যায় এবং তার মধ্যে একটি শেডের ব্লাউজ পরা যায়। কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি, কানের দুল, মালা, ঘড়ি ও জুতা পরতে হবে।

যারা ট্রেন্ড ফলো করেন তারা নিজেদের পছন্দমতো রঙের বিভিন্ন শেড ব্যবহার করে মনোক্রোম ফ্যাশন ফলো করতে পারেন। তবে গরমের দিন হালকা রঙের বিভিন্ন শেড ব্যবহার করাই ভালো। এতে শরীরের পাশাপাশি চোখেরও আরাম হয় বলা চলে।

ভাদ্রের এই গরমে মাঝেমধ্যে আইসক্রিম খেতে মন চাইতেই পারে। তালের রস বাড়িতে থাকলে তা দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে নিতে পারেন। আপনাদের জন্য তালের আইসক্রিমের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খান মুক্তা।

প্রতিবছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ একটি অচেনা কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে প্রাণ হারান। তার নাম সেপসিস। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও এটি এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এটি শুধু শারীরিক জটিলতা নয়, বরং এটি জীবাণু এবং মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার এক চরম সংঘাতের ফল।

ফুল, প্রজাপতি, মৌমাছি কিংবা সবুজ পাতার সৌন্দর্য—প্রকৃতির এই ছোট ছোট উপাদান এবার জায়গা করে নিচ্ছে নখের সাজে। নেইল আর্টের জগতে এখন আলোচনায় গার্ডেন-ইন্সপায়ারড ম্যানিকিউর। শুধু একটি ফুল এঁকে নখ সাজানো নয়, বরং পুরো বাগানের আবহ তুলে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে এই ধারায়।