সঙ্গী ‘ইমোশনালি আনঅ্যাভেইলেবল’? যেভাবে বুঝবেন এবং যা করবেন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯৪ বার পঠিত হয়েছে

চিকিৎসক, কাউন্সিলর ও সাইকোথেরাপি প্র‍্যাকটিশনার অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘কাউকে বিচার করার আগে বিষয়টি বোঝা জরুরি। কারণ, কম কথা বলা, নিজের ব্যক্তিগত বিষয় গোপন রাখা বা সব সময় আবেগ প্রকাশ না করা মানেই একজন মানুষ আবেগগতভাবে অনুপস্থিত—এমন নয়।’

তিনি জানান, মূল বিষয় হলো, দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্কের মধ্যে তাঁর আচরণে আগ্রহের অভাবের নির্দিষ্ট ধরন দেখা যাচ্ছে কি না, সেটা খেয়াল করতে হবে।

কেউ হয়তো সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন। কেউ প্রসঙ্গ পরিবর্তন করেন। আবার কেউ মজা করে পরিস্থিতি এড়িয়ে যান।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার ক্ষমতা একেকজনের একেক রকম। তাই একবার বা দুবার এমন ঘটলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে যদি দেখা যায়, সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে একজন মানুষ সব সময় একটি অদৃশ্য দেয়াল তুলে রাখছেন, তখন বিষয়টি সম্পর্কের অন্য মানুষটির মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে ভয় থাকতে পারে। কেউ হয়তো অতীতে আঘাত পেয়েছেন। আবার কেউ সম্পর্কের দায়িত্ব নিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত না-ও থাকতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কি একটি সাময়িক পরিবর্তন, নাকি বারবার ঘটতে থাকা একটি অভ্যাস, সেটি বুঝতে পারা।’

একটি সম্পর্কে দুজন মানুষের সব অনুভূতি একই রকম হবে না। একজন যে কারণে কষ্ট পাবেন, অন্যজন হয়তো সেটিকে ততটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন না। কিন্তু মতের পার্থক্য থাকা এবং অন্যের অনুভূতিকে অস্বীকার করা এক বিষয় নয়।

ধরা যাক, একজন বললেন, ‘তুমি কয়েক দিন ধরে আমার সঙ্গে আগের মতো কথা বলছ না। এতে আমার খারাপ লাগছে।’

এর উত্তরে অন্যজন বলতে পারেন, ‘আমি বুঝতে পারছি, তোমার খারাপ লাগছে, তবে আমি আসলে কাজের চাপে ছিলাম।’

অন্যদিকে বারবার যদি বলা হয়, ‘তুমি অযথা নাটক করছ’, ‘তোমার সমস্যা তুমি নিজেই তৈরি করছ’ কিংবা ‘এত সংবেদনশীল হওয়ার দরকার নেই’, তাহলে সম্পর্কের মধ্যে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

একসময় মানুষটি ভাবতে শুরু করতে পারেন, নিজের কষ্টের কথা বলাই হয়তো ভুল। একটি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দুজনের চিন্তা এক না-ও হতে পারে। কিন্তু পরস্পরের সঙ্গে সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ।

একটি সম্পর্কে কখনো কখনো দেখা যায়, একজন মানুষ নিজের সব কথা খুলে বলেন। তাঁর ভয়, দুঃখ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা—সবকিছুই সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করেন। কিন্তু অন্যজন সম্পর্কে নিজের ভেতরের জগৎ প্রায় অজানাই থেকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সম্পর্কের মধ্যে একটি অসমতা তৈরি হতে পারে। একজন ক্রমাগত নিজের আবেগ বিনিয়োগ করছেন, কিন্তু অন্যজন একইভাবে নিজেকে প্রকাশ করছেন না। দীর্ঘদিন ধরে যদি সম্পর্কটি একতরফাভাবে আবেগের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে একজন মানুষ সম্পর্কের মধ্যেই একাকিত্ব অনুভব করতে পারেন।

সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘একটি সুস্থ সম্পর্কে প্রতিটি মুহূর্তে দুজনের দেওয়া সমান হবে—এমন আশা বাস্তবসম্মত নয়। মানুষ কখনো বেশি দুর্বল থাকে, কখনো বেশি শক্ত থাকে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে যদি সব সময় একজনই অন্যজনকে সামলান, তাহলে সম্পর্কটি ক্লান্তিকর হয়ে উঠতে পারে।’

সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘প্রতিনিয়ত এমন ঘটনার শিকার হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। একটি সম্পর্কের মধ্যে বারবার যদি কেউ একা, অবহেলিত বা অনিশ্চিত বোধ করেন, তাহলে সেই অনুভূতিকে চেপে রাখা সমাধান নয়। তবে অভিযোগের ভাষায় কথা বলার পরিবর্তে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলা সহজ হতে পারে।’

তিনি জানান, এরপর গুরুত্বপূর্ণ হলো অন্য মানুষটির প্রতিক্রিয়া। তিনি কি মনোযোগ দিয়ে শুনছেন? নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন? সম্পর্কের সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করছেন? নাকি প্রতিবার আপনার অনুভূতিকে অপ্রয়োজনীয় বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন, সেটি বুঝতে চেষ্টা করা।

কারণ, একজন মানুষের সমস্যা থাকা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সম্পর্ককে ভালো রাখার জন্য সেই সমস্যা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

ভালোবাসা শুধু নিয়মিত দেখা করা বা একসঙ্গে সময় কাটানোর নাম নয়। একজন মানুষ আপনার সঙ্গে থাকতে পারেন, কিন্তু আপনি তার কাছে নিজের কষ্টের কথা বলতে নিরাপদ বোধ না-ও করতে পারেন। আবার কেউ খুব বেশি কথা বলেন না, কিন্তু আপনার মন খারাপ হলে মন দিয়ে শোনেন। আপনার অনুভূতিকে ছোট করেন না এবং প্রয়োজনের সময় পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তাই সম্পর্ক নিয়ে ভাবার সময় শুধু ‘সে আমাকে ভালোবাসে কি না’—এই প্রশ্নই যথেষ্ট নয়। মানুষটির সঙ্গে আমি কি নিজের সত্যিকারের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি? এ বিষয়টি বুঝতে পারাও জরুরি।

অবশেষে এ বছর মিনমিনে উচ্চারণে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করল, ‘সমাপ্ত’। এই একটি শব্দ শোনার জন্য পৃথিবীর মানুষদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৪৪ বছর। খুব জাঁকজমক করে উদ্বোধনও করা হলো। অথচ আজও শেষ হয়নি এর নির্মাণকাজ। যাঁর হাত ধরে শুরু হয়েছিল, সেই বিশ্বখ্যাত স্থপতি আন্তোনি গাউদিও গত হয়েছেন; তা-ও এক শতাব্দী হয়ে গেছে।

ছুটি মানেই তো একটু পা ছড়িয়ে দেওয়া, আড্ডা আর ঝিমোনো, তাই না? কিন্তু টিকটক আর ইউটিউব শর্টসের যুগে ভ্রমণ জিনিসটি এখন যেন অলিখিত এক অলিম্পিক প্রতিযোগিতা। ভোর ৪টায় উঠে সূর্যোদয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতেই হবে। অনেক সময় ক্লান্ত থাকলেও ক্যামেরার সামনে মুখে কৃত্রিম হাসি ঝুলিয়ে ভিডিও করা কিংবা ছবি তোলা।

কখনো ভেবে দেখেছেন, আমাদের শরীরের ভেতরে ঘটে ক্ষুধা, ভয়, আনন্দ, হাসি বা কান্নার মতো অনুভূতিগুলো আমরা কীভাবে টের পাই? শরীরের ভেতরের এই সংকেতগুলো আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলা হয় ইন্টারোসেপশন বা অন্তঃসংবেদন। গবেষকেরা একেই বলছেন মানুষের অতীব গুরুত্বপূর্ণ ষষ্ঠ…

জনপ্রিয় টার্গেট

জবি তরুণ লেখক সংঘের সভাপতি রিমি, সাধারণ সম্পাদক মোসাব্বীর

সঙ্গী ‘ইমোশনালি আনঅ্যাভেইলেবল’? যেভাবে বুঝবেন এবং যা করবেন

প্রকাশ: ০৩:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিকিৎসক, কাউন্সিলর ও সাইকোথেরাপি প্র‍্যাকটিশনার অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘কাউকে বিচার করার আগে বিষয়টি বোঝা জরুরি। কারণ, কম কথা বলা, নিজের ব্যক্তিগত বিষয় গোপন রাখা বা সব সময় আবেগ প্রকাশ না করা মানেই একজন মানুষ আবেগগতভাবে অনুপস্থিত—এমন নয়।’

তিনি জানান, মূল বিষয় হলো, দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্কের মধ্যে তাঁর আচরণে আগ্রহের অভাবের নির্দিষ্ট ধরন দেখা যাচ্ছে কি না, সেটা খেয়াল করতে হবে।

কেউ হয়তো সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন। কেউ প্রসঙ্গ পরিবর্তন করেন। আবার কেউ মজা করে পরিস্থিতি এড়িয়ে যান।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার ক্ষমতা একেকজনের একেক রকম। তাই একবার বা দুবার এমন ঘটলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে যদি দেখা যায়, সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে একজন মানুষ সব সময় একটি অদৃশ্য দেয়াল তুলে রাখছেন, তখন বিষয়টি সম্পর্কের অন্য মানুষটির মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে ভয় থাকতে পারে। কেউ হয়তো অতীতে আঘাত পেয়েছেন। আবার কেউ সম্পর্কের দায়িত্ব নিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত না-ও থাকতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কি একটি সাময়িক পরিবর্তন, নাকি বারবার ঘটতে থাকা একটি অভ্যাস, সেটি বুঝতে পারা।’

একটি সম্পর্কে দুজন মানুষের সব অনুভূতি একই রকম হবে না। একজন যে কারণে কষ্ট পাবেন, অন্যজন হয়তো সেটিকে ততটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন না। কিন্তু মতের পার্থক্য থাকা এবং অন্যের অনুভূতিকে অস্বীকার করা এক বিষয় নয়।

ধরা যাক, একজন বললেন, ‘তুমি কয়েক দিন ধরে আমার সঙ্গে আগের মতো কথা বলছ না। এতে আমার খারাপ লাগছে।’

এর উত্তরে অন্যজন বলতে পারেন, ‘আমি বুঝতে পারছি, তোমার খারাপ লাগছে, তবে আমি আসলে কাজের চাপে ছিলাম।’

অন্যদিকে বারবার যদি বলা হয়, ‘তুমি অযথা নাটক করছ’, ‘তোমার সমস্যা তুমি নিজেই তৈরি করছ’ কিংবা ‘এত সংবেদনশীল হওয়ার দরকার নেই’, তাহলে সম্পর্কের মধ্যে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

একসময় মানুষটি ভাবতে শুরু করতে পারেন, নিজের কষ্টের কথা বলাই হয়তো ভুল। একটি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দুজনের চিন্তা এক না-ও হতে পারে। কিন্তু পরস্পরের সঙ্গে সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ।

একটি সম্পর্কে কখনো কখনো দেখা যায়, একজন মানুষ নিজের সব কথা খুলে বলেন। তাঁর ভয়, দুঃখ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা—সবকিছুই সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করেন। কিন্তু অন্যজন সম্পর্কে নিজের ভেতরের জগৎ প্রায় অজানাই থেকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সম্পর্কের মধ্যে একটি অসমতা তৈরি হতে পারে। একজন ক্রমাগত নিজের আবেগ বিনিয়োগ করছেন, কিন্তু অন্যজন একইভাবে নিজেকে প্রকাশ করছেন না। দীর্ঘদিন ধরে যদি সম্পর্কটি একতরফাভাবে আবেগের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে একজন মানুষ সম্পর্কের মধ্যেই একাকিত্ব অনুভব করতে পারেন।

সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘একটি সুস্থ সম্পর্কে প্রতিটি মুহূর্তে দুজনের দেওয়া সমান হবে—এমন আশা বাস্তবসম্মত নয়। মানুষ কখনো বেশি দুর্বল থাকে, কখনো বেশি শক্ত থাকে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে যদি সব সময় একজনই অন্যজনকে সামলান, তাহলে সম্পর্কটি ক্লান্তিকর হয়ে উঠতে পারে।’

সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘প্রতিনিয়ত এমন ঘটনার শিকার হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। একটি সম্পর্কের মধ্যে বারবার যদি কেউ একা, অবহেলিত বা অনিশ্চিত বোধ করেন, তাহলে সেই অনুভূতিকে চেপে রাখা সমাধান নয়। তবে অভিযোগের ভাষায় কথা বলার পরিবর্তে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলা সহজ হতে পারে।’

তিনি জানান, এরপর গুরুত্বপূর্ণ হলো অন্য মানুষটির প্রতিক্রিয়া। তিনি কি মনোযোগ দিয়ে শুনছেন? নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন? সম্পর্কের সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করছেন? নাকি প্রতিবার আপনার অনুভূতিকে অপ্রয়োজনীয় বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন, সেটি বুঝতে চেষ্টা করা।

কারণ, একজন মানুষের সমস্যা থাকা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সম্পর্ককে ভালো রাখার জন্য সেই সমস্যা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

ভালোবাসা শুধু নিয়মিত দেখা করা বা একসঙ্গে সময় কাটানোর নাম নয়। একজন মানুষ আপনার সঙ্গে থাকতে পারেন, কিন্তু আপনি তার কাছে নিজের কষ্টের কথা বলতে নিরাপদ বোধ না-ও করতে পারেন। আবার কেউ খুব বেশি কথা বলেন না, কিন্তু আপনার মন খারাপ হলে মন দিয়ে শোনেন। আপনার অনুভূতিকে ছোট করেন না এবং প্রয়োজনের সময় পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তাই সম্পর্ক নিয়ে ভাবার সময় শুধু ‘সে আমাকে ভালোবাসে কি না’—এই প্রশ্নই যথেষ্ট নয়। মানুষটির সঙ্গে আমি কি নিজের সত্যিকারের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি? এ বিষয়টি বুঝতে পারাও জরুরি।

অবশেষে এ বছর মিনমিনে উচ্চারণে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করল, ‘সমাপ্ত’। এই একটি শব্দ শোনার জন্য পৃথিবীর মানুষদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৪৪ বছর। খুব জাঁকজমক করে উদ্বোধনও করা হলো। অথচ আজও শেষ হয়নি এর নির্মাণকাজ। যাঁর হাত ধরে শুরু হয়েছিল, সেই বিশ্বখ্যাত স্থপতি আন্তোনি গাউদিও গত হয়েছেন; তা-ও এক শতাব্দী হয়ে গেছে।

ছুটি মানেই তো একটু পা ছড়িয়ে দেওয়া, আড্ডা আর ঝিমোনো, তাই না? কিন্তু টিকটক আর ইউটিউব শর্টসের যুগে ভ্রমণ জিনিসটি এখন যেন অলিখিত এক অলিম্পিক প্রতিযোগিতা। ভোর ৪টায় উঠে সূর্যোদয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতেই হবে। অনেক সময় ক্লান্ত থাকলেও ক্যামেরার সামনে মুখে কৃত্রিম হাসি ঝুলিয়ে ভিডিও করা কিংবা ছবি তোলা।

কখনো ভেবে দেখেছেন, আমাদের শরীরের ভেতরে ঘটে ক্ষুধা, ভয়, আনন্দ, হাসি বা কান্নার মতো অনুভূতিগুলো আমরা কীভাবে টের পাই? শরীরের ভেতরের এই সংকেতগুলো আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলা হয় ইন্টারোসেপশন বা অন্তঃসংবেদন। গবেষকেরা একেই বলছেন মানুষের অতীব গুরুত্বপূর্ণ ষষ্ঠ…