আজ শনিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, কোনো মেডিকেল সেন্টার নির্দিষ্ট কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির অধীনে কাজ করবে না। মালয়েশিয়ার জন্য নির্বাচিত কর্মী অনুমোদিত যেকোনো মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন। যে এজেন্সি মেডিকেল স্লিপ করেছে কিন্তু কর্মী অন্য এজেন্সির মাধ্যমে কাজ করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সেই আগের এজেন্সি কোনো দেরি না করে মেডিকেল রিপোর্ট পাঠিয়ে দেবে। এ ক্ষেত্রে স্লিপ প্রদানকারীর কোনো ওজর আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।
এ ছাড়া কোনো মেডিকেল সেন্টার নির্ধারিত ৮ হাজার টাকার বেশি দাবি করলে বা কোনো ধরনের হয়রানি বা টালবাহানা বা ঝামেলা করলে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। এ জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ইমেইল ([email protected] ) করতে বলা হয়েছে। মাইগ্রামস (migrams) স্লিপের জন্য কোনো ফি লাগে না বলেও জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মন্ত্রণালয় নিয়মিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম মনিটর ও পরীক্ষা করবে। কোনো অনিয়ম বা গরমিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্মানিত মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারগুলোকে এই নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আজ ৩১ অক্টোবর থেকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে শুরু হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং অভিবাসন ছাড়পত্রের জন্যও বিবেচনা করা হবে না বলেও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

দৈনিক টার্গেট 


























