অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ও কম শারীরিক পরিশ্রম: প্রয়োজনের বেশি ক্যালরি খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এবং সে অনুপাতে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম না করলে অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে জমা হয়ে স্থূলতা সৃষ্টি করে। বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া এবং সে অনুপাতে শারীরিক পরিশ্রম না করা স্থূলতার অন্যতম কারণ।
হরমোনজনিত সমস্যা: জেনেটিক, মেটাবলিক বা হরমোনজনিত সমস্যায় স্থূলতা হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খাওয়া এবং কম শারীরিক পরিশ্রম এর জন্য দায়ী।
ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: রাতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে ক্ষুধা বাড়ার হরমোন নির্গমন বাড়ে এবং লেপটিন হরমোন কমে যায়। এর ফলে ক্ষুধা বেড়ে গিয়ে ওজনও বেড়ে যায়। এ ছাড়া পর্যাপ্ত না ঘুমালে শরীর অতিরিক্ত কর্টিসল হরমোন তৈরি করে, যা ওজন কমাতে বাধা দেয়।
মানসিক চাপ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ স্থূলতার জন্য দায়ী।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: খাবারে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিন, শাকসবজি, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি বেশি পরিমাণে খেতে হবে। ফাস্ট ফুড, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার ও অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে।
জীবনযাত্রার পরিবর্তন: নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম ও জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে এবং দিনে ঘুমানো কমাতে হবে।

দৈনিক টার্গেট 

























