দুই দিনব্যাপী সভায় গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত গণভোটের রায়কে কার্যকর করতে সরকার নানা ‘টালবাহানা’ করছে বলে উল্লেখ করেন দলের নেতারা।
দলটির সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘গণমানুষের রায়ের সঙ্গে বেইমানি করে সরকার টিকতে পারবে না। রাষ্ট্র সংস্কারের যে গণআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অর্জনে আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলব।’
সভায় নেতারা বলেন, জনগণের এই ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে রাজপথের আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও অধিকারভিত্তিক সংগঠনকে এ লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় দলটির নেতারা অঙ্গীকার করেন, জনগণের জান-জবান-সম্মানের অধিকার, কাঠামোগত পরিবর্তন ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সিদ্ধান্ত ভোটাররা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন মাঠে থাকবে।
দলের সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—দলের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী, হাবিবুর রহমান রাজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল প্রমুখ।
সভায় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ অঞ্চল ও বিভাগের সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি চূড়ান্ত করেন।
আকাশ থেকে কালো বজ্রপাত নামলেও আমরা আপনাদের সঙ্গে এই দেশেই থাকব। আমরা রাস্তায় নেমেছি কোনো দলীয় দাবি নিয়ে নয়। রাস্তায় নেমেছি, কারণ নতুন করে ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ তাড়াতে অনেক জীবন দিতে হয়েছে। এখন চোখ রাঙানো হয়…
বিদ্যুৎ কোথাও নেই কিন্তু বিদ্যুৎ শুধু সংসদে আছে। জিজ্ঞেস করলে বলেন, কোনো সংকট নেই! সংসদে দাঁড়িয়ে যারা মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দ্বারা দেশের মানুষের সমস্যার সমাধান হবে না। ছয় মাস চলে গেছে…
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল ও গ্যাস-সংকট নিরসন না করলে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না—সরকারের উদ্দেশে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ শনিবার ফেনীর মহিপালে ১১ দল আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পথসভার আয়োজন করা হয়।
দৈনিক টার্গেট 

























