শনিবার রাতে স্টামফোর্ড ব্রিজে চেলসির কাছে ২-০ গোলে হারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ১৫ মিনিটে ওয়েসলি ফোফানার মুখে চড় মারেন মার্তিনেস। কর্নার থেকে আসা বলে হেড করতে ব্যর্থ হওয়ার পর চেলসির ফরাসি ডিফেন্ডারের সঙ্গে এমন কাণ্ড ঘটান তিনি।
ঘটনাটি ভিএআরে পর্যালোচনা করেন রেফারি পিটার ব্যাংকস। এরপর মার্তিনেসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান তিনি। আগেই একটি হলুদ কার্ড দেখায় লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে। ফলে বাকি সময় একজন কম নিয়ে খেলতে হয় ইউনাইটেডকে। এর কিছুক্ষণ পর পেনাল্টি থেকে গোল করে চেলসির জয় নিশ্চিত করেন কোল পালমার।
মার্তিনেসের এমন আচরণের পর তাঁর কড়া সমালোচনা করেন কক্স। দ্য অ্যাথলেটিক-এ প্রকাশিত নিজের কলামে এই ডিফেন্ডারকে সরাসরি চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে বাজে খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের মন্তব্যের পক্ষে মার্তিনেসের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের উদাহরণও তুলে ধরেন কক্স। চেলসির বিপক্ষে লাল কার্ডের পাশাপাশি ফুলহ্যামের বিপক্ষে আত্মঘাতী গোল এবং টটেনহাম ও বোর্নমাউথের বিপক্ষে তাঁর নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন এই সাংবাদিক।
কক্স লিখেছেন, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যে তিনটি ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েছে, তার প্রতিটির পেছনেই কারণ মার্তিনেস।’ শুধু সমালোচনা করেই থামেননি তিনি। মাইকেল ক্যারিকের একাদশ থেকে এই ডিফেন্ডারকে বাদ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন।
কক্স আরও যোগ করেন, ‘যে খেলোয়াড় ধারাবাহিকভাবে ভুল করে দলের পয়েন্ট খোয়ানোর কারণ হচ্ছে, তাকে একাদশে রাখা যায় না। এসব ভুলের মধ্য দিয়ে সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে তার দায়বদ্ধতার অভাব।’
ইউনাইটেডে মার্তিনেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কক্স, ‘জাতীয় দলের জন্য তার ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত যা-ই হোক না কেন, আগামী বছরের এই সময়ে মার্তিনেসের ইউনাইটেডে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’

দৈনিক টার্গেট 

























