ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ আজ রোববার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল তা ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এই অর্থ গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার নুসুক সিস্টেমে জমা হয়েছে।
ধর্মমন্ত্রী জানান, আটকে রাখা অর্থের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া ৩১০ জন হজযাত্রীর ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ সৌদি রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ সৌদি রিয়াল ছিল।
হজে আরও ২০ হাজার কোটা বাড়ানোর আবেদন করেছে বাংলাদেশ। ২০২৭ সালের হজে কোটা বাড়ানোর বিষয়ে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তাঁদের মন্ত্রী আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি চেষ্টা করবেন, তারা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত আন্তরিক।’
২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের কোটা সাড়ে ৭৮ হাজার। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাড়ে ৭২ হাজার।

দৈনিক টার্গেট 

























