এআইয়ের তৈরি সৃজনশীল কাজের মালিক কে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত হয়েছে

মানুষের সৃজনশীলতার জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অনুপ্রবেশ নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি তৈরি করেছে একগুচ্ছ জটিল প্রশ্ন। যন্ত্রের তৈরি ছবির শিল্পী কে? এআই দিয়ে লেখা উপন্যাসের লেখক কে? কোনো গায়কের কণ্ঠ নকল করে গান তৈরি করলে সেই গানের অধিকার কার? আর এআইকে প্রশিক্ষণ দিতে যদি লাখ লাখ মানুষের লেখা, ছবি ও গান ব্যবহার করা হয়, তাঁদের অনুমতি নেওয়া হচ্ছে কি?

ছবি তৈরির ক্ষেত্রে মিডজার্নি, ডাল-ই এবং গুগলের ইমাজেন উল্লেখযোগ্য। লেখার ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি ও জেমিনি, আর সংগীত তৈরিতে সুনো ও উদিওর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী কয়েকটি বাক্য বা প্রম্পট লিখে ছবিসহ বিভিন্ন সৃজনশীল জিনিস তৈরি বা সম্পাদনা করতে পারেন। এখানেই তৈরি হয়েছে সৃজনশীলতার নতুন সংজ্ঞা নিয়ে বিতর্ক। আগে শিল্পকর্ম তৈরিতে শিল্পীর দক্ষতা, সময়, অভিজ্ঞতা ও শ্রম ছিল মুখ্য; এখন একটি অংশের কাজ করে দিচ্ছে অ্যালগরিদম। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যিনি শুধু নির্দেশনা দিয়েছেন, তিনি কি শিল্পী? নাকি যিনি এআই মডেল তৈরি করেছেন, তিনিই সৃষ্টির প্রকৃত মালিক?

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট অফিস ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, এআই দিয়ে তৈরি কোনো কাজের প্রকাশভঙ্গির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো নির্ধারণে মানুষের যথেষ্ট সৃজনশীল ভূমিকা থাকলেই শুধু সেগুলো কপিরাইট সুরক্ষা পেতে পারে। মাত্র একটি নির্দেশনা বা প্রম্পট লিখে এআইয়ের কাছ থেকে ছবি কিংবা লেখা তৈরি করিয়ে নিলেই সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কপিরাইট পাওয়ার যোগ্য হবে না।

অন্যদিকে, কোনো মানুষ যদি এআইয়ের তৈরি ছবিকে নিজের সৃজনশীল সিদ্ধান্তে সম্পাদনা করেন, একাধিক উপাদান নতুনভাবে সাজান কিংবা নিজের মৌলিক শিল্পকর্মের সঙ্গে এআইয়ের তৈরি উপাদান যুক্ত করে নতুন কাজ তৈরি করেন, তাহলে সেই মানবিক অবদান কপিরাইট সুরক্ষার যোগ্য হতে পারে।

আইনের ২ ধারায় প্রণেতার সংজ্ঞায় সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে লেখক, সংগীতের ক্ষেত্রে রচয়িতা ও সুরকার, আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ডিজিটাল সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে প্রণয়নকারী ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে।

তবে এআই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো ছবি, গান বা সাহিত্যকর্ম তৈরি করলে তার কপিরাইট কার হবে, সে বিষয়ে আইনে আলাদা ও সুস্পষ্ট বিধান আছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই শুধু এআইয়ের নির্দেশদাতা, সফটওয়্যার নির্মাতা কিংবা প্ল্যাটফর্মের মালিককে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কপিরাইটের মালিক বলা যাবে না। নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে মানুষের সৃজনশীল অবদান, চুক্তি এবং প্রযোজ্য আইনের ব্যাখ্যা বিবেচনা করতে হবে।

গুগলের টার্মস অব সার্ভিস ঠিকমতো পড়লে দেখবেন, সেখানে লেখা আছে, ইওর কনটেন্ট রিমেইনস ইয়োরস। অর্থাৎ আপনার কনটেন্টের মালিকানা আপনার হাতেই।

ফলে কোনো ব্যক্তি নিজের তৈরি ছবি, ভিডিও, সংগীত, গল্প, উপন্যাস বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজ গুগলের যেকোনো প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করলে সাধারণভাবে তার মালিকানা ওই স্রষ্টার কাছেই থাকে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। মালিকানা বা ওনার্সশিপ আর ব্যবহারের অনুমতি বা লাইসেন্স এক বিষয় নয়। আপনি গুগলের কোনো প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশ করলে, সেবাটি পরিচালনা ও উন্নত করার জন্য গুগল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি পায়। যেমন গুগল ফটোসে ছবি আপলোড করলে সেটি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করে।

ইউটিউবের টার্মস অব সার্ভিসে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারী তাঁর আপলোড করা কনটেন্টের মালিকানা ধরে রাখেন। তবে ইউটিউবকে একটি বিশ্বব্যাপী, নন-এক্সক্লুসিভ, রয়্যালটিমুক্ত, হস্তান্তরযোগ্য ও সাব-লাইসেন্সযোগ্য ব্যবহারের লাইসেন্স দিতে হয়।

এআইয়ের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে চলছে বড় বিতর্ক। একটি ছবি তৈরির মডেলকে প্রশিক্ষণ দিতে লাখ লাখ ছবি বিশ্লেষণ করা হতে পারে। একইভাবে ভাষাভিত্তিক মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে বই, সংবাদপত্র, গবেষণাপত্র, ব্লগ ও অনলাইন আলোচনার বিপুল সংগ্রহ। কিন্তু এসব কনটেন্টের অনেকগুলোই কপিরাইট সুরক্ষিত। মূল স্রষ্টার অনুমতি ছাড়া প্রশিক্ষণের কাজে সেসব ব্যবহার করা যাবে কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে।

এআইয়ের তৈরি সব ধরনের শিল্পকর্মের কপিরাইট নিয়ে একই ধরনের সমস্যা তৈরি হয় না।

এআই সাহিত্য: উপন্যাস, কবিতা, সংবাদ প্রতিবেদন কিংবা গবেষণার খসড়া তৈরি করতে পারে এআই। কিন্তু কোনো লেখকের স্বতন্ত্র বাক্য, চরিত্র, কাহিনি বা প্রকাশভঙ্গি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করলে মৌলিকত্ব ও কপিরাইট লঙ্ঘনের প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এআই চিত্রকলা: বিখ্যাত শিল্পীর আঁকার ধরন অনুকরণ করে ছবি তৈরি করা যায়। কিন্তু কোনো শিল্পীর স্টাইল বা সামগ্রিক নান্দনিকতা অনুকরণ করা এবং তাঁর নির্দিষ্ট শিল্পকর্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নকল করলে কপিরাইট লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ইউএস কপিরাইট অফিস, গুগল, মেটা, বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০২৩

২২ বছরের পুরোনো ত্রুটি, এআই ভেঙে দিল দুই দিনে

২২ বছরের পুরোনো ত্রুটি, এআই ভেঙে দিল দুই দিনে

একটি পুরোনো ত্রুটি। নিরাপত্তাবিষয়ক এই ভুল মানুষ ২২ বছর ধরে ঠিক করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে নিরলসভাবে। অবশেষে সেই ত্রুটির সুরাহা হলো মাত্র দুই দিনেই। কে করেছে জানেন? এআই। কিন্তু এআই-সংক্রান্ত যেকোনো জিনিসই তো চট করে ভালো কিংবা খারাপ বলা যায় না।

এআই চ্যাটবট ব্যবহারে যা করবেন, করবেন না

এআই চ্যাটবট ব্যবহারে যা করবেন, করবেন না

এআই চ্যাট বট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সময় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কোন সেবাগুলো আপনার সম্পর্কে বিশেষ করে সংবেদনশীল তথ্য ধারণ করে তা নিয়ে ভাবুন। আপনি যদি সেগুলো ব্যবহার বন্ধ করে দেন, তবে তা মুছে ফেলার চেষ্টা করতে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করুন।

এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান

এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান

ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে ওঠা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্যাম অল্টম্যান।

জনপ্রিয় টার্গেট

সৌদি সরকারের অর্থায়নে ফ্রি ওমরাহর সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

এআইয়ের তৈরি সৃজনশীল কাজের মালিক কে

প্রকাশ: ১০:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

মানুষের সৃজনশীলতার জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অনুপ্রবেশ নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি তৈরি করেছে একগুচ্ছ জটিল প্রশ্ন। যন্ত্রের তৈরি ছবির শিল্পী কে? এআই দিয়ে লেখা উপন্যাসের লেখক কে? কোনো গায়কের কণ্ঠ নকল করে গান তৈরি করলে সেই গানের অধিকার কার? আর এআইকে প্রশিক্ষণ দিতে যদি লাখ লাখ মানুষের লেখা, ছবি ও গান ব্যবহার করা হয়, তাঁদের অনুমতি নেওয়া হচ্ছে কি?

ছবি তৈরির ক্ষেত্রে মিডজার্নি, ডাল-ই এবং গুগলের ইমাজেন উল্লেখযোগ্য। লেখার ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি ও জেমিনি, আর সংগীত তৈরিতে সুনো ও উদিওর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী কয়েকটি বাক্য বা প্রম্পট লিখে ছবিসহ বিভিন্ন সৃজনশীল জিনিস তৈরি বা সম্পাদনা করতে পারেন। এখানেই তৈরি হয়েছে সৃজনশীলতার নতুন সংজ্ঞা নিয়ে বিতর্ক। আগে শিল্পকর্ম তৈরিতে শিল্পীর দক্ষতা, সময়, অভিজ্ঞতা ও শ্রম ছিল মুখ্য; এখন একটি অংশের কাজ করে দিচ্ছে অ্যালগরিদম। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যিনি শুধু নির্দেশনা দিয়েছেন, তিনি কি শিল্পী? নাকি যিনি এআই মডেল তৈরি করেছেন, তিনিই সৃষ্টির প্রকৃত মালিক?

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট অফিস ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, এআই দিয়ে তৈরি কোনো কাজের প্রকাশভঙ্গির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো নির্ধারণে মানুষের যথেষ্ট সৃজনশীল ভূমিকা থাকলেই শুধু সেগুলো কপিরাইট সুরক্ষা পেতে পারে। মাত্র একটি নির্দেশনা বা প্রম্পট লিখে এআইয়ের কাছ থেকে ছবি কিংবা লেখা তৈরি করিয়ে নিলেই সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কপিরাইট পাওয়ার যোগ্য হবে না।

অন্যদিকে, কোনো মানুষ যদি এআইয়ের তৈরি ছবিকে নিজের সৃজনশীল সিদ্ধান্তে সম্পাদনা করেন, একাধিক উপাদান নতুনভাবে সাজান কিংবা নিজের মৌলিক শিল্পকর্মের সঙ্গে এআইয়ের তৈরি উপাদান যুক্ত করে নতুন কাজ তৈরি করেন, তাহলে সেই মানবিক অবদান কপিরাইট সুরক্ষার যোগ্য হতে পারে।

আইনের ২ ধারায় প্রণেতার সংজ্ঞায় সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে লেখক, সংগীতের ক্ষেত্রে রচয়িতা ও সুরকার, আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ডিজিটাল সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে প্রণয়নকারী ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে।

তবে এআই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো ছবি, গান বা সাহিত্যকর্ম তৈরি করলে তার কপিরাইট কার হবে, সে বিষয়ে আইনে আলাদা ও সুস্পষ্ট বিধান আছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই শুধু এআইয়ের নির্দেশদাতা, সফটওয়্যার নির্মাতা কিংবা প্ল্যাটফর্মের মালিককে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কপিরাইটের মালিক বলা যাবে না। নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে মানুষের সৃজনশীল অবদান, চুক্তি এবং প্রযোজ্য আইনের ব্যাখ্যা বিবেচনা করতে হবে।

গুগলের টার্মস অব সার্ভিস ঠিকমতো পড়লে দেখবেন, সেখানে লেখা আছে, ইওর কনটেন্ট রিমেইনস ইয়োরস। অর্থাৎ আপনার কনটেন্টের মালিকানা আপনার হাতেই।

ফলে কোনো ব্যক্তি নিজের তৈরি ছবি, ভিডিও, সংগীত, গল্প, উপন্যাস বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজ গুগলের যেকোনো প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করলে সাধারণভাবে তার মালিকানা ওই স্রষ্টার কাছেই থাকে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। মালিকানা বা ওনার্সশিপ আর ব্যবহারের অনুমতি বা লাইসেন্স এক বিষয় নয়। আপনি গুগলের কোনো প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশ করলে, সেবাটি পরিচালনা ও উন্নত করার জন্য গুগল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি পায়। যেমন গুগল ফটোসে ছবি আপলোড করলে সেটি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করে।

ইউটিউবের টার্মস অব সার্ভিসে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারী তাঁর আপলোড করা কনটেন্টের মালিকানা ধরে রাখেন। তবে ইউটিউবকে একটি বিশ্বব্যাপী, নন-এক্সক্লুসিভ, রয়্যালটিমুক্ত, হস্তান্তরযোগ্য ও সাব-লাইসেন্সযোগ্য ব্যবহারের লাইসেন্স দিতে হয়।

এআইয়ের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে চলছে বড় বিতর্ক। একটি ছবি তৈরির মডেলকে প্রশিক্ষণ দিতে লাখ লাখ ছবি বিশ্লেষণ করা হতে পারে। একইভাবে ভাষাভিত্তিক মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে বই, সংবাদপত্র, গবেষণাপত্র, ব্লগ ও অনলাইন আলোচনার বিপুল সংগ্রহ। কিন্তু এসব কনটেন্টের অনেকগুলোই কপিরাইট সুরক্ষিত। মূল স্রষ্টার অনুমতি ছাড়া প্রশিক্ষণের কাজে সেসব ব্যবহার করা যাবে কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে।

এআইয়ের তৈরি সব ধরনের শিল্পকর্মের কপিরাইট নিয়ে একই ধরনের সমস্যা তৈরি হয় না।

এআই সাহিত্য: উপন্যাস, কবিতা, সংবাদ প্রতিবেদন কিংবা গবেষণার খসড়া তৈরি করতে পারে এআই। কিন্তু কোনো লেখকের স্বতন্ত্র বাক্য, চরিত্র, কাহিনি বা প্রকাশভঙ্গি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করলে মৌলিকত্ব ও কপিরাইট লঙ্ঘনের প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এআই চিত্রকলা: বিখ্যাত শিল্পীর আঁকার ধরন অনুকরণ করে ছবি তৈরি করা যায়। কিন্তু কোনো শিল্পীর স্টাইল বা সামগ্রিক নান্দনিকতা অনুকরণ করা এবং তাঁর নির্দিষ্ট শিল্পকর্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নকল করলে কপিরাইট লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ইউএস কপিরাইট অফিস, গুগল, মেটা, বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০২৩

২২ বছরের পুরোনো ত্রুটি, এআই ভেঙে দিল দুই দিনে

২২ বছরের পুরোনো ত্রুটি, এআই ভেঙে দিল দুই দিনে

একটি পুরোনো ত্রুটি। নিরাপত্তাবিষয়ক এই ভুল মানুষ ২২ বছর ধরে ঠিক করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে নিরলসভাবে। অবশেষে সেই ত্রুটির সুরাহা হলো মাত্র দুই দিনেই। কে করেছে জানেন? এআই। কিন্তু এআই-সংক্রান্ত যেকোনো জিনিসই তো চট করে ভালো কিংবা খারাপ বলা যায় না।

এআই চ্যাটবট ব্যবহারে যা করবেন, করবেন না

এআই চ্যাটবট ব্যবহারে যা করবেন, করবেন না

এআই চ্যাট বট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সময় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কোন সেবাগুলো আপনার সম্পর্কে বিশেষ করে সংবেদনশীল তথ্য ধারণ করে তা নিয়ে ভাবুন। আপনি যদি সেগুলো ব্যবহার বন্ধ করে দেন, তবে তা মুছে ফেলার চেষ্টা করতে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করুন।

এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান

এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান

ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে ওঠা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্যাম অল্টম্যান।