নেতানিয়াহুর চুল ও মেকআপে ইসরায়েলের খরচ ৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত হয়েছে

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুল সাজানো ও মেকআপের মোট ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই হয়েছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সারার সময়ে। একাধিক নথিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হেয়ারস্টাইলিস্ট ও মেকআপ শিল্পীদের নামসহ কিছু নির্দিষ্ট তথ্য ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার’ কারণ দেখিয়ে গোপন রাখা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্যে মাসভিত্তিক ব্যয়ের হিসাবও রয়েছে। ২০২৩ সালের শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর সময়ের আশপাশের সময়ের ব্যয়ের তথ্যও এতে তুলে ধরা হয়েছে। দেখা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর চুল সাজাতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ ডলার এবং মেকআপের জন্য ১ হাজার ৫৮০ ডলার সরকারি অর্থ ব্যয় করা হয়।

নথি অনুযায়ী, শুধু ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসেই প্রধানমন্ত্রীর চুল সাজানোর জন্য ৮১০ ডলার খরচ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের সঙ্গে মোট ব্যয়ের পরিমাণেও বড় পার্থক্য দেখা গেছে। ২০২৩ সালে মোট খরচ ছিল প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার ডলার। এর আগের বছর ২০২২ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের সময়ে এই খাতে ব্যয় হয়েছিল মাত্র ২৭ হাজার ৬০০ ডলার।

২০২৫ সালে এই ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ বছরে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলার ব্যয় হয় এই খাতে। এর বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে বিদেশ সফরের সময়। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন সফরে মেকআপ ও চুল সাজানোর জন্য খরচ হয় ১৩ হাজার ৫০০ ডলার। আর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ওয়াশিংটন সফরে এ খাতে খরচ হয় ১১ হাজার ৫০০ ডলার।

এ ছাড়া পোশাক ও অতিথি আপ্যায়নের খরচসহ সরকারি প্রতিনিধিত্বসংক্রান্ত ভাতার আলাদা হিসাবও দেওয়া হয়েছে। নেতাভেদে এ খাতে ব্যয় ছিল বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য ১ লাখ ৩৪ হাজার ডলার, নাফতালি বেনেটের জন্য ১৯ হাজার ডলার এবং ইয়ার লাপিদের জন্য ২ হাজার ৬০০ ডলার।

তবে তথ্য অধিকার আন্দোলনের পক্ষ থেকে করা অনুরোধ সত্ত্বেও গয়না, পোশাক কিংবা ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি পরামর্শ বা ‘ইমেজ কনসাল্টিং’ বাবদ ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করেনি সরকার।

১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ২৪ ঘণ্টার সফরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট ভ্রমণ করছেন এয়ার চায়না পরিচালিত বিশেষ বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দুই আয়ারল্যান্ডের একীভূত হওয়ার বিষয়টি হবে ‘ফ্যান্টাস্টিক’ বা খুবই দারুণ ব্যাপার। গতকাল শনিবার ডাবলিন সফরের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর এই মন্তব্য লন্ডনের কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে অস্বস্তিই তৈরি করেছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

এসআরবি নামে যাত্রা শুরু র‍্যাবের, লোগোর নকশা অপরিবর্তিত

নেতানিয়াহুর চুল ও মেকআপে ইসরায়েলের খরচ ৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার

প্রকাশ: ১২:২৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুল সাজানো ও মেকআপের মোট ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই হয়েছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সারার সময়ে। একাধিক নথিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হেয়ারস্টাইলিস্ট ও মেকআপ শিল্পীদের নামসহ কিছু নির্দিষ্ট তথ্য ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার’ কারণ দেখিয়ে গোপন রাখা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্যে মাসভিত্তিক ব্যয়ের হিসাবও রয়েছে। ২০২৩ সালের শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর সময়ের আশপাশের সময়ের ব্যয়ের তথ্যও এতে তুলে ধরা হয়েছে। দেখা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর চুল সাজাতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ ডলার এবং মেকআপের জন্য ১ হাজার ৫৮০ ডলার সরকারি অর্থ ব্যয় করা হয়।

নথি অনুযায়ী, শুধু ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসেই প্রধানমন্ত্রীর চুল সাজানোর জন্য ৮১০ ডলার খরচ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের সঙ্গে মোট ব্যয়ের পরিমাণেও বড় পার্থক্য দেখা গেছে। ২০২৩ সালে মোট খরচ ছিল প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার ডলার। এর আগের বছর ২০২২ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের সময়ে এই খাতে ব্যয় হয়েছিল মাত্র ২৭ হাজার ৬০০ ডলার।

২০২৫ সালে এই ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ বছরে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলার ব্যয় হয় এই খাতে। এর বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে বিদেশ সফরের সময়। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন সফরে মেকআপ ও চুল সাজানোর জন্য খরচ হয় ১৩ হাজার ৫০০ ডলার। আর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ওয়াশিংটন সফরে এ খাতে খরচ হয় ১১ হাজার ৫০০ ডলার।

এ ছাড়া পোশাক ও অতিথি আপ্যায়নের খরচসহ সরকারি প্রতিনিধিত্বসংক্রান্ত ভাতার আলাদা হিসাবও দেওয়া হয়েছে। নেতাভেদে এ খাতে ব্যয় ছিল বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য ১ লাখ ৩৪ হাজার ডলার, নাফতালি বেনেটের জন্য ১৯ হাজার ডলার এবং ইয়ার লাপিদের জন্য ২ হাজার ৬০০ ডলার।

তবে তথ্য অধিকার আন্দোলনের পক্ষ থেকে করা অনুরোধ সত্ত্বেও গয়না, পোশাক কিংবা ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি পরামর্শ বা ‘ইমেজ কনসাল্টিং’ বাবদ ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করেনি সরকার।

১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ২৪ ঘণ্টার সফরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট ভ্রমণ করছেন এয়ার চায়না পরিচালিত বিশেষ বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দুই আয়ারল্যান্ডের একীভূত হওয়ার বিষয়টি হবে ‘ফ্যান্টাস্টিক’ বা খুবই দারুণ ব্যাপার। গতকাল শনিবার ডাবলিন সফরের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর এই মন্তব্য লন্ডনের কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে অস্বস্তিই তৈরি করেছে।