ব্রিকস যৌথ ঘোষণায় সম্মতি নেতাদের, একতরফা যুদ্ধের নিন্দা জানাবে জোট

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় সংঘাতকে কেন্দ্র করে ব্রিকসের সদস্য ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভাজন দূর করার চেষ্টা চলছে এবারের সম্মেলনে।

ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আবারও পরস্পরের ওপর পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করার সময় এই সম্মেলন হচ্ছে। আগস্টের বেশির ভাগ সময় সংঘাতে কিছুটা বিরতি ছিল। ওই সময়ে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতিরা লোহিত সাগর অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে।

চারটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা একটি যৌথ ঘোষণায় সম্মত হয়েছেন। এতে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করার সম্ভাবনা কম। তবে যেকোনো দেশের একতরফা যুদ্ধের নিন্দা জানানো হবে। শনিবার পরে ব্রিকসের নেতারা এই নথি অনুমোদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্মেলনের আয়োজক ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথ ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা আগে বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়ে এমন ভাষা খুঁজে বের করাই ব্রিকসের বড় পরীক্ষা হবে, যা আবুধাবি ও তেহরান দুই পক্ষই মেনে নিতে পারে। এমনটি সম্ভব হলে যৌথ ঘোষণার পথ পরিষ্কার হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের যৌথ বিবৃতি বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। তবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর নীতির বিরুদ্ধে উদীয়মান দেশগুলোর জোট হিসেবে ব্রিকসের ঐক্য প্রদর্শন করবে।

গত মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতপার্থক্যের কারণে ওই বৈঠক থেকে কোনো যৌথ বিবৃতি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এবং আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানসহ অন্যরা।

ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিভাজন দূর করা এবং যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্যে পৌঁছানো ব্রিকসের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের প্রভাবাধীন বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ২০০৯ সালে ব্রিকস প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে জোটটির সদস্য দেশগুলোতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের বসবাস। বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশও এই দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণে।

উত্তর কোরিয়া তার পূর্ব উপকূলের সাগরের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে (শুক্রবার ২০:২০ জিএমটি) উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় এলাকা ওনসান থেকে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার…

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পার্ক স্ট্রিট লাগোয়া মির্জা গালিব স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এবং মারকুইস স্ট্রিট—দশক ধরে এই এলাকাটি বাংলাদেশি পর্যটক ও চিকিৎসা প্রার্থীদের কাছে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিত।

জনপ্রিয় টার্গেট

ঘুম থেকে উঠেই ক্লান্ত অনুভব করার ৭ কারণ

ব্রিকস যৌথ ঘোষণায় সম্মতি নেতাদের, একতরফা যুদ্ধের নিন্দা জানাবে জোট

প্রকাশ: ০৪:০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় সংঘাতকে কেন্দ্র করে ব্রিকসের সদস্য ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভাজন দূর করার চেষ্টা চলছে এবারের সম্মেলনে।

ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আবারও পরস্পরের ওপর পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করার সময় এই সম্মেলন হচ্ছে। আগস্টের বেশির ভাগ সময় সংঘাতে কিছুটা বিরতি ছিল। ওই সময়ে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতিরা লোহিত সাগর অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে।

চারটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা একটি যৌথ ঘোষণায় সম্মত হয়েছেন। এতে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করার সম্ভাবনা কম। তবে যেকোনো দেশের একতরফা যুদ্ধের নিন্দা জানানো হবে। শনিবার পরে ব্রিকসের নেতারা এই নথি অনুমোদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্মেলনের আয়োজক ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথ ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা আগে বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়ে এমন ভাষা খুঁজে বের করাই ব্রিকসের বড় পরীক্ষা হবে, যা আবুধাবি ও তেহরান দুই পক্ষই মেনে নিতে পারে। এমনটি সম্ভব হলে যৌথ ঘোষণার পথ পরিষ্কার হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের যৌথ বিবৃতি বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। তবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর নীতির বিরুদ্ধে উদীয়মান দেশগুলোর জোট হিসেবে ব্রিকসের ঐক্য প্রদর্শন করবে।

গত মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতপার্থক্যের কারণে ওই বৈঠক থেকে কোনো যৌথ বিবৃতি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এবং আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানসহ অন্যরা।

ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিভাজন দূর করা এবং যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্যে পৌঁছানো ব্রিকসের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের প্রভাবাধীন বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ২০০৯ সালে ব্রিকস প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে জোটটির সদস্য দেশগুলোতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের বসবাস। বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশও এই দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণে।

উত্তর কোরিয়া তার পূর্ব উপকূলের সাগরের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে (শুক্রবার ২০:২০ জিএমটি) উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় এলাকা ওনসান থেকে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার…

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পার্ক স্ট্রিট লাগোয়া মির্জা গালিব স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এবং মারকুইস স্ট্রিট—দশক ধরে এই এলাকাটি বাংলাদেশি পর্যটক ও চিকিৎসা প্রার্থীদের কাছে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিত।